বিখ্যাত টিকটকারের দেশে টিকটকে ঢোকা বন্ধ!

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২৩, ১২:৪৩ এএম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহজ কাজকে অযথা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে করে ভিডিও পোস্ট করেন অনেকে। তাদের কাণ্ডগুলো ব্যঙ্গ করে কোনো কথা ছাড়া একই কাজ সহজভাবে করে দেখিয়ে বিখ্যাত হয়েছেন খাবি লেইম। এখন তাকে ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, ইউটিউবে সবাই চিনলেও তিনি বেছে নিয়েছিলেন ভিডিও মেকিং প্ল্যাটফর্ম টিকটক। আফ্রিকার দেশ সেনেগালের দাকার থেকে বাবা-মা ও ভাইবোনের সঙ্গে ২০০১ সালে ইতালির তুরিনের শহরতলি এলাকা চিভাসোতে অভিবাসিত হন খাবি লেম। ২০২০ সালে শখের বসে শুরু করেন টিকটকে ভিডিও বানানো। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একটি কাজ করে দুহাত সামনে সমান্তরাল করে দিয়ে ‘সিম্পল’ বার্তা দেওয়া কৃষ্ণাঙ্গ তরুণের আয় এখন প্রতি মাসে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার।

অথচ তার জন্মভূমি সেনেগালেই বন্ধ হয়ে গেল টিকটকে ঢোকার পথ। অ্যাপটি অস্থিতিশীলতা তৈরির হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে যুক্তি দেখিয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশটির সরকার। গতকাল বুধবার দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপ টিকটকের প্রবেশাধিকার স্থগিত থাকবে। বিরোধীদের তীব্র বিক্ষোভের মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেটের ব্যবহার সীমিত করার কয়েক দিন পর টিকটকে নিষেধাজ্ঞা দিল দেশটির সরকার।

এক বিবৃতিতে দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, টিকটক এমন একটি সামাজিক নেটওয়ার্ক; যা ঘৃণা ও ধ্বংসাত্মক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার খারাপ উদ্দেশ্যের জন্য লোকজন পছন্দ করে। এটি দেশের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা উসমানে সোনকোর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং অন্যান্য অপরাধের অভিযোগ আনার পর এসব নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যদিও সোনকোর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে বলে দাবি বিরোধীদের।

এদিকে টিকটকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া দেশের তালিকা দিনকে দিন লম্বা হচ্ছে। প্রযুক্তি খবর দেওয়ার সাইট ম্যাশবল বলছে, এ বছরের মে পর্যন্ত আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস, কানাডা, ভারতে নিষিদ্ধ হয়েছে টিকটক।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত