বগুড়ার শিবগঞ্জে ধর্ষণের পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় আহত মাদ্রাসাশিক্ষার্থী মারুফা ৪০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন। গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তিনি মারা যান।
গতকাল বুধবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মারুফার চাচা কামরুজ্জামান।
মারুফা উপজেলার আটমূল ইউনিয়নের নান্দুড়া গ্রামের মাসুদুর রহমানের মেয়ে। তিনি স্থানীয় মাদ্রাসার আলিম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তিনজন ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। পরে হত্যার উদ্দেশ্যে তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান। কিন্তু অবস্থা খারাপ হলে তাকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান স্বজনরা। এ ঘটনায় ৯ সেপ্টেম্বর শিবগঞ্জ থানায় মারুফার বাবা তিনজনকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেন। পুলিশ এ মামলায় সাইফুল ইসলাম (২৮) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে। মামলার বাকি দুই আসামি রঞ্জু (৪০) ও নাঈম (২৩) পলাতক।
মারুফার চাচা কামরুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার দুপুরে তার ভাতিজির শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। ১টার দিকে তিনি সংজ্ঞা হারান। পরে রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিবগঞ্জ থানার ওসি আবদুর রউফ গতকাল বিকেলে মারুফার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ওই ছাত্রী মারা গেছেন। মরদেহ বগুড়ায় আনার পর ময়নাতদন্ত করা হবে। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি দুজন পলাতক রয়েছে।
