ভারতের সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এস ওয়াই কোরাইশি বলেছেন, ভারতে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর কমিশন সর্বময় ক্ষমতা পায়। কোনো প্রধানমন্ত্রী থাকে না, মুখ্যমন্ত্রী থাকে না। ইসির অনুমতি ছাড়া কেউ কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। ভারতে কিন্তু নির্বাচন কমিশন নির্বাচনকালে অনেকটা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো কাজ করে। সরকার তখন অকার্যকর হয়ে পড়ে। তারা নতুন কোনো কর্মসূচি নিতে পারে না। কাউকে বদলি করতে পারে না। এতে নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা বাড়ে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ভারতের নির্বাচন কমিশনের যেসব ক্ষমতা আছে, সেসব ক্ষমতা আপনাদের নির্বাচন কমিশনেরও আছে।’
গতকাল রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের ব্যানারে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন ভারতের সাবেক এই প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
বিদেশি পাঁচ অতিথিসহ ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের ব্যানারে নয়জনের প্রতিনিধিদল এ মতবিনিময় করে। মতবিনিময়কালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্য চার নির্বাচন কমিশনার উপস্থিত ছিলেন। বিদেশিদের মধ্যে ভারতের সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছাড়া ছিলেন নেপালের একজন সাবেক নির্বাচন কমিশনার, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কার দুজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নেপালের একজন নির্বাচন কমিশনার।
এ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার অনুকূল পরিবেশ আছে বলে তিনি মনে করেন। তিনি আরও বলেন, ‘সংবিধানের বিধান অনুযায়ী মেয়াদ পূর্তির আগের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন সব কার্যক্রম সম্পন্ন করছে।’
