পাঁচ বছরের বেশি সময় আগে রাজধানীর ভাটারা থানার একটি নাশকতার মামলায় বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের ১১ নেতাকর্মীকে আড়াই বছর করে কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডিতদের ১০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও তিন মাস করে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে তিন মাসে শুধু ঢাকার আদালতে ৩৪ মামলায় বিএনপির প্রায় ৬০০ নেতাকর্মীর বিভিন্ন মেয়াদে সাজার রায় হলো।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ৭২ নেতাকর্মীর বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।
গতকাল রবিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিন ভাটারা থানার মামলায় বিএনপির ১১ জনকে সাজা দিয়ে রায় দেন। দণ্ডিত ব্যক্তিরা হলেন- আতাউর রহমান, হেলাল ঢালি, লালন ব্যাপারী, বাবুল শেখ, মফিজুর রহমান, কাজী হজরত আলী, জাকির হোসেন ব্যাপারী, জাকির হোসেন বাগমার, এরশাদ আলী খান, মইজুল ইসলাম দর্জি, আলী মিয়া।
মামলাটি হয় ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিলের পর বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে।
জামায়াতের ৭২ জনের বিচার শুরু : রামপুরা থানায় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়াসহ নাশকতার মামলায় জামায়াতের আমির ড. শফিকুর রহমানসহ ৭২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিবুল হকের আদালত অভিযোগ গঠনের পর ২৭ ডিসেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. মোজাম্মেল হক খোকন বিচার শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এ মামলায় অভিযোগ গঠনের মতো পর্যাপ্ত উপাদান না থাকায় ৪৫ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী এসএম কামাল উদ্দিন।
বিচার শুরু হওয়া উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী সদস্য মো. ইজ্জত উল্লাহ।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১২ সালের নভেম্বরে জামায়াতের ডাকা হরতালে গাড়ি ভাঙচুর, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পুলিশের কর্তব্যকজে বাধা দেওয়া হয়। মামলাটি তদন্ত করে ১২৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
