গণতন্ত্র ক্ষুন্নসহ বিভিন্ন ঘটনার কথা বলে জিম্বাবুয়ের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা নীতি প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই কারণে দেশটি উগান্ডায় ভিসা নিষেধাজ্ঞা নীতি বিস্তৃত করার ঘোষণা দিয়েছে।
গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এ-সংক্রান্ত ঘোষণা দেন। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দুটি পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
জিম্বাবুয়ের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তার নীতির আওতায় দেশটিতে (জিম্বাবুয়ে) গণতন্ত্র ক্ষুণেœর জন্য দায়ী বা জড়িত বলে বিবেচিত ব্যক্তির ওপর ভিসা বিধিনিষেধ দেবে।
গণতন্ত্র ক্ষুন্ন বলতে যেসব বিষয়ের কথা যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখ করেছে, তার মধ্যে রয়েছে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কারচুপি, ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা, ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা, রাজনৈতিক বিরোধীদের নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া, নাগরিক সমাজের সংস্থাগুলোর কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা সীমিত করা, হুমকি বা শারীরিক সহিংসতার মাধ্যমে ভোটার, নির্বাচন পর্যবেক্ষক বা নাগরিক সমাজের সংস্থাকে ভয় দেখানো।
জিম্বাবুয়ের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, চলতি বছরের আগস্টে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের সময়কার নেতৃত্ব বা পরবর্তী সময় যারা নেতৃত্বে এসেছেন তারাই যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতির আওতায় আসবেন।
উগান্ডার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, গণতন্ত্র ক্ষুন্ন করা ও দমন-পীড়নের জন্য দেশটির ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞার নীতি সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উগান্ডার ২০২১ সালের ত্রুটিপূর্ণ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর দেশটির গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষুন্ন করার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের লক্ষ করে একটি ভিসা নিষেধাজ্ঞা নীতি ঘোষণা করেছেন ব্লিঙ্কেন। সে সময় (নির্বাচন) ব্লিঙ্কেন উগান্ডা সরকারকে তার রেকর্ড উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো করতে, ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়া, সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে অনুরোধ করেছিলেন।
এখন ব্লিঙ্কেন উগান্ডার বর্তমান-সাবেক কর্মকর্তা বা অন্যদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞার নীতি সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়েছেন। উগান্ডার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষুন্ন করা, প্রান্তিক বা দুর্বল জনগোষ্ঠীর সদস্যদের দমনের লক্ষ্যে নীতি গ্রহণ বা কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী ব্যক্তিরা এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসবেন।
