পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি পোড়ানোসহ নাশকতার তিন মামলায় সাইফুল আলম নীরব ও রফিকুল আলম মজনুসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের ৪৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোশাররফ হোসেনের আদালত তিনটি মামলার রায় দেয়।
এ নিয়ে গত তিন মাসে শুধু ঢাকার কয়েকটি আদালতে ৫৬ মামলায় বিএনপি, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের ৯৫৭ জনের সাজার রায় হলো।
গতকাল রাজধানীর তেজগাঁও থানার নাশকতার মামলায় যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরবসহ বিএনপির ১৪ নেতাকর্মীকে আড়াই বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। বনানী থানার মামলায় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের ২০ নেতাকর্মীকে দুটি ধারায় ১ বছর ৯ মাস করে সাজা দিয়েছে আদালত। রাজধানীর শাহজাহানপুর থানার মামলায় মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুসহ দলটির ১৩ জনকে আড়াই বছর করে কারাদন্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
তেজগাঁও থানার মামলায় অন্য সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আনোয়ারুজ্জামান আনোয়োর, রাজ, সেলিম, মোহাম্মদ আজিজুর রহমান ওরফে মোবাশ্বীর, কবির, শফিজুর রহমান শাফিজ, জালাল, শাহ আলম, আবদুল জলিল, ইউসুফ হোসেন মিন্টু ওরফে ফুড মিন্টু, পলাশ, তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু ও ঝন্টু। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তেজগাঁও এলাকায় নাশকতার অভিযোগে এ মামলা হয়।
বনানী থানার মামলায় দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন আবুল কালাম আজাদ, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চু মিয়া, শাহজাহান সরকার, মাহমুদুল হাসান, মোহাম্মদ ইমাম হোসেন ওরফে ইমন, সেলিম আহমেদ রাজু ওরফে জাদু সেলিম, শাজাহান ওরফে বাবুর্চি শাহজাহান, মিজানুর রহমান আক্তার, মো. ফজলু, রেজাউর রহমান ফাহিম। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে বনানী থানায় নাশকতার অভিযোগে মামলাটি করা হয়।
শাহজাহানপুর থানার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন আহসান হাবিব হীরা, আবদুল্লাহ জামান আদিত্য চৌধুরী, আলমগীর হোসেন আজাদ, গিয়াস উদ্দিন মানিক, বদরুল আলম সবুজ, সোহাগ ভূঁইয়া, মোহাম্মদ ভাসানী চাকলাদার, মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে শাহজাহানপুর এলাকায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলাটি করা হয়।
এর আগে গত বুধবারও ছয় মামলায় বিএনপির ১১৯ নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।
