শীতে মাইগ্রেন সমস্যা বাড়তে পারে

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৮:৩১ এএম

শীতে অনেকেরই মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়ে। মাইগ্রেন বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যে কোনো একপাশ থেকে শুরু হয় এবং ক্রমে তা বিস্তৃত হতে থাকে।

লক্ষণ : মাথাব্যথা, বমিভাব এ রোগের প্রধান লক্ষণ। তবে অতিরিক্ত হাই তোলা, কোনো কাজে মনোযোগ নষ্ট হওয়া, বিরক্তি বোধ করা ইত্যাদি উপসর্গ মাথাব্যথা শুরুর আগে হতে পারে। মাথার যে কোনো অংশ থেকে এ ব্যথা শুরু হয়। পরে পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে। চোখের পেছনে ব্যথার অনুভূতি তৈরি হতে পারে।

ক্লাসিক্যাল মাইগ্রেনের লক্ষণ : এতে দৃষ্টি সমস্যা, যেমন- চোখে উজ্জ্বল আলোর অনুভূতি, হঠাৎ অন্ধকার হয়ে যাওয়া, দৃষ্টিসীমানা সরু হয়ে আসা অথবা যে কোনো একপাশ অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ইত্যাদি উপসর্গ হতে পারে। ২০ মিনিট স্থায়ী এসব উপসর্গের পর বমির ভাব এবং মাথাব্যথা শুরু হয়, যা সাধারণত একপাশে হয়। দৃষ্টির সমস্যা এক ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হলে ধরে নিতে হবে এটি মাইগ্রেন নয়।

প্রতিকার : মাইগ্রেন চিকিৎসায় তাৎক্ষণিক এবং প্রতিরোধক ওষুধের পাশাপাশি কিছু নিয়মকানুন মেনে চললে সমস্যা অনেকাংশে কমে যায়। এজন্য যা করতে হবে তা হলোশ্বপ্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে হবে এবং সেটা হতে হবে পরিমিত। অতিরিক্ত বা কম আলোয় কাজ না করা। কড়া রোদ বা তীব্র ঠান্ডা পরিহার করতে হবে, কারণ শীতে বাড়ে বেশি এর উপসর্গ। উচ্চ শব্দ ও কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে বেশিক্ষণ না থাকা। মাইগ্রেন শুরু হয়ে গেলে প্রচুর পানি পান করা (বিশেষ করে বমি হয়ে থাকলে), বিশ্রাম করা, ঠান্ডা কাপড় মাথায় জড়িয়ে রাখা উচিত।

মাইগ্রেন প্রতিরোধী খাবার : ম্যাগনেশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার, যেমনশ্বঢেঁকিছাঁটা চালের ভাত, আলু ও বার্লি মাইগ্রেন প্রতিরোধক। বিভিন্ন ফল, বিশেষ করে খেজুর ও ডুমুর ব্যথা উপশম করে। সবুজ, হলুদ ও কমলা রঙের শাকসবজি নিয়মিত খেলে উপকার হয়। ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি মাইগ্রেন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তিল, আটা, বিট ইত্যাদিতে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে। আদার টুকরা, আদার রস বা জিঞ্জার পাউডার দিনে দুবার পানিতে মিশিয়ে পান করতে পারেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত