ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ভুয়া এক পুলিশকে আটক করেছে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ। গতকাল রবিবার ভোরে উপজেলার কবীর ভুলসোমা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিয়ে থানায় মামলা প্রস্তুতি চলছে।
জানা যায়, মোবাইলে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেম তারপর প্রেমিকার বাড়িতে এসে পুলিশের এসআই পরিচয় দিয়ে বিয়ে করে অবস্থান করছিলেন মনির খান নামে ওই ভুয়া পুলিশ। এ সময় নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে এসআইয়ের ভিজিটিং কার্ড বিতরণ ও পুলিশ পরিচয়পত্র দেখান। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে খবর দেয় ঈশ্বরগঞ্জ থানায়। খবর পেয়ে থানার এসআই উমর ফারুক রাজুর কাছে ভুয়া এসআই হিসাবে ধরা খেয়ে আটক হন মনির।
গতকাল রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার কবীর ভুলসোমা গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে।
এসআই উমর ফারুক জানান, তিনি একটি ভিজিটিং কার্ড পেয়ে রবিবার শেষ রাতে ওই এসআই এর খোঁজ করতে কবির ভুলসোমা গ্রামের আব্দুল খালেকের বাড়িতে যান। সেখানে গেলে কথিত এসআই নিজেকে ভৈরব থানার উপপরিদর্শক পরিচয় দিয়ে অসংলগ্ন কথা বলতে থাকেন। আর তখনি বিষয়টি ধরা পড় যায়। এক পর্যায়ে নিজের এসআই এর পরিচয়পত্র দেখান। তখন ওই পরিচয় পত্রের আইডি নম্বর চেক করে ও ভৈরব থানার দায়িত্বরত ডিউটি অফিসারের কাছে জানতে পারেন এমন নামে ভৈরব থানায় কোনো এসআই নেই। পরে জেরার মুখে স্বীকার করেন তিনি কোনো এসআই নন। বিয়ে করতেই এমন কৌশল অবলম্বন করেছিলেন। এ অবস্থায় শেষ রাতে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাজেদুর রহমান জানান, ভুয়া এএসআই এর নাম ধরে অনলাইনে চার্জ করলে জানা যায়, তিনি হচ্ছেন মো.আব্দুর রহমানের ছেলে এনামুল কবির মনির খান। তার বাড়ির ঠিকানা দেখা যায় দুইটি। একটি নেত্রকোনা সদরের নাগড়া ও পূর্বধলা উপজেলার হিরণপুর। তার নামে নবীনগর, ডিএমপির শাহআলী ছিনতাইয়ের মামলা ও ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় ২০১৬ সালে ছিনতাই করার সময় হত্যাকান্ডের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে। এ বিষয়ে আরও খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
‘কনুইয়ের গুতা’ দিয়ে শিক্ষকের গাড়ি ভাঙল ছাত্রলীগ