নরসিংদীর রায়পুরে আন্তনগর সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। পরে ওই ব্যক্তির লাশ ইঞ্জিনের হুকে আটকে যায়। ওই অবস্থায় লাশটি প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরের ভৈরব রেলস্টেশন পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় ট্রেনটি। একপর্যায়ে ট্রেন থামিয়ে লাশ সরিয়ে রাখার পর তা উদ্ধার করে রেলওয়ে পুলিশ। এ তথ্য নিশ্চিত করেন ভৈরব রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কার্তিক চন্দ্র রায়।
বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত বৃদ্ধ আব্দুল বারিক (৬০) নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার হাসনাবাদ উত্তরপুর এলাকার মৃত কফিল উদ্দিন মীরের ছেলে ।
ভৈরব রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কার্তিক চন্দ্র রায় জানান, নিহত আব্দুল বারিক আমিরগঞ্জ স্টেশন এলাকার একজন পানের দোকানদার। প্রতিদিনের মতো তিনি দোকানে যেতে রেললাইন পারাপার হওয়ার সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা) ট্রেনে ধাক্কা লেগে তিনি ইঞ্জিনের হুকের সঙ্গে আটকে যান। ৮টা ৪০ মিনিটে ভৈরবে পৌঁছে ট্রেনটি দাঁড়ালে মৃত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, নিহত বৃদ্ধ লোকটি কানে কম শুনত। পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ট্রেন চলাচল কিছু সময় বন্ধ ছিল। ৯টার পর পুনরায় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
