পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ এবং প্রাদেশিক আইনসভাগুলোর সংরক্ষিত আসন লাভ করার প্রশ্নে ধাক্কা খেল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। গত ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে স্বাধীন প্রার্থী হিসেবে সর্বোচ্চ সংখ্যায় জয়লাভকারী পিটিআই প্রার্থীরা সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিলে (এসআইসি) যোগদান করে সংরক্ষিত আসন বরাদ্দের জন্য নির্বাচন কমিশনে দাবি জানান। কিন্তু এতে সায় দেয়নি কমিশন। পরে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেও শেষ পর্যন্ত আদালত তাদের আর্জি খারিজ করে দেয়।
স্বাধীন প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করা পিটিআইয়ের আইনপ্রণেতারা এসআইসিতে যোগদান করে জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক আইনসভায় নারী ও সংখ্যালঘুদের জন্য বরাদ্দ সংরক্ষিত আসন দাবি করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৪ মার্চ পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন ৪-১ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে রায় দেয়, সংরক্ষিত আসন লাভের জন্য প্রার্থী তালিকা জমাদানের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক শর্ত প্রতিপালন করেননি পিটিআই সমর্থিত এসআইসির আইনপ্রণেতারা।
গতকাল পেশোয়ার হাইকোর্টের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ পাকিস্তান নির্বাচনের কমিশনের সিদ্ধান্তকে স্বীকৃতি দেয়। এর আগে গত বুধবার পাকিস্তানের অ্যাটর্নি জেনারেল মানসুর উসমান আওয়ান দাবি করেন, এসআইসি গত ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি এবং এ কারণে দলটি সংরক্ষিত আসন দাবি করতে পারে না। আদালতে পিটিআইয়ের পক্ষে আবেদন দাখিল করেন কাজি মোহাম্মদ আনোয়ার। এসআইসির পক্ষে আবেদন জমা দেন দলটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ হামিদ রাজা। আদালতে শুনানিকালে বিচারকরা আবেদনকারীর কাছে জানতে চান, এসআইসি কি গত ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল? এর জবাবে কাজি আনোয়ার ‘না’ সূচক উত্তর দেন। এ সময় আদালতের কাছে আরও প্রতীয়মান হয়, দলের চেয়ারম্যান নিজেও স্বাধীন প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে বলেন, এসআইসি নির্বাচনের আগে কমিশনের কাছে সংরক্ষিত আসন দাবি করে কোনো প্রার্থী তালিকা জমা দেননি যা আইন অনুযায়ী বাধ্যতামূলক।
