ত্বকের পানিশূন্যতা

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২৪, ১২:৪৭ এএম

ডা. লুবনা খন্দকার

সহযোগী অধ্যাপক, চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

রোজা রাখার ফলে অনেকের দেহে পানির ঘাটতি দেখা দেয়। আর পানি শূন্যতার কারণে ত্বক হয়ে পড়ে শুষ্ক। এর পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বলতা হারায়। শরীরে পানিশূন্যতার পরিমাণ নির্ভর করে একজন ব্যক্তি ইফতার থেকে শুরু করে সাহরি পর্যন্ত কতটুকু পানি পান করেছেন তার ওপর। অর্থাৎ তিনি রোজা থাকা অবস্থায় কী পরিমাণ শারীরিক পরিশ্রম করেন এবং তিনি যেখানে অবস্থান করছেন সেখানকার আবহাওয়ার ওপর।

লক্ষণ : শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়লে দৃষ্টি ঝাপসা, চোখ গর্তে চলে যাওয়া, প্রস্রাবে ইনফেকশন ও জ্বালাপোড়া, মাথাব্যথা ও ঝিমঝিম, কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, দুর্বলতা, শরীরের তাপমাত্রা কমা, ত্বক শুকিয়ে যাওয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। পানির অভাবে শরীরের বিভিন্ন লবণ যেমন সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্লোরাইড, ক্যালসিয়াম, ফসফেট, পটাসিয়ামের মতো উপাদানের অসামঞ্জস্য দেখা দেয়। এই অসামঞ্জস্য বেড়ে গেলে মৃত্যু হতে পারে।

রোজায় যা খাবেন : পানিশূন্যতা থেকে বাঁচতে পানির পাশাপাশি অন্যান্য তরল খাবার যেমন : ডাবের পানি, চিনির শরবত, গুড়ের শরবত, লাচ্ছি, দুধ, স্যুপ খেতে হবে। খাবার স্যালাইন খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া মাছের ঝোল, ডাল ওদুধ খেতে পারেন।  ইলেকট্রোলাইট ব্যালান্সে ঠিক রাখতে ফলের রস খেতে পারেন।

ত্বক সতেজ রাখতে : শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করবেন। ত্বকের ধরন বুঝে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। অতিরিক্ত শর্করা, লবণাক্ত খাবার, ফলমূলের কনসেনট্রেটেড জুস বাদ দিতে হবে। শাকসবজি, ফলমূল খাওয়া যেগুলোতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বেশি থাকে। আট ঘণ্টা ঘুমানো। আই-কেয়ার ক্রিম, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফেইস-সিরাম ও হায়ালুরনিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ প্রসাধন ব্যবহার করা। সব ধরনের মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত