নির্বাচনের ‘ফ্যাক্টর’ এআই প্রযুক্তি

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:০০ এএম

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) তথা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আগামী দিনে বিশ্ব রাজনীতিতে বড় একটি ফ্যাক্টর হতে চলেছে, তা জোর দিয়ে বলা যায়। কারণ বিশে^র নানা দেশের নির্বাচনে এর ইতিবাচক ব্যবহারের পাশাপাশি নেতিবাচক কাজে ব্যবহারের উদাহরণ পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়ার আসন্ন নির্বাচনে যেন এআইয়ের বিপজ্জনক ব্যবহারের ছড়াছড়ি যা বিশ্ব গণমাধ্যমেরও নজর কেড়েছে। আগামী ১০ এপ্রিল দক্ষিণ কোরিয়ায় নির্বাচন। কিন্তু নির্বাচনের দুই সপ্তাহ আগে থেকে এআই প্রযুক্তির সহায়তায় ভুয়া কিংবা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর ঘটনা ঘটছে। ‘ডিপফেক’ বলে খ্যাত এআই প্রযুক্তিকেন্দ্রিক এসব অপতথ্যের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে নির্বাচন দপ্তর।

গত ২৮ মার্চ শুরু হয় নির্বাচনী প্রচার কাজ। এর আগে ও পরে পুলিশ ডিপফেক ধরনের অপরাধমূলক ঘটনা প্রত্যক্ষ করে। কোরীয় সংবাদমাধ্যম সূত্র জানায়, গত ১৮ মার্চ ৬৭৬ জনের বিরুদ্ধে মোট ৪০১টি নির্বাচনী অভিযোগ নথিভুক্ত হয় যার মধ্যে ৩৫২টি মামলা ছিল ভুয়া তথ্য ছড়ানোর দায়ে।  এত বেশি সংখ্যায় এই ধরনের অভিযোগ ওঠায় তা চিন্তিত হয়ে পড়েছে কর্তৃপক্ষকে।

সম্প্রতি, একটি ইউটিউব ভিডিওতে প্রেসিডেন্ট ইয়ুনকে দেখা যায়, তিনি জনপ্রিয় গায়িকা লিম ইয়ুং-ভুঙের বিয়ে অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, গায়িকা লিম আদৌ বিবাহিত নন। আর বিয়েতে হাজির হওয়ার ঘটনা বাস্তবে ঘটেনি।

এসব ভুয়া প্রচার রুখতে দক্ষিণ কোরিয়ার পুলিশ সংস্থা ৫২ লাখ তথ্যের ডিজিটাল ‘ডিপ লার্নিং প্রোগ্রাম’ চালু করেছেন। এর সাহায্যে যেকোনোও ভিডিওর আসল-নকল যাচাই করা যাবে। গত মাসের শুরু থেকেই এই প্রযুক্তি কাজ শুরু করে। তবে এই প্রযুক্তিরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ৮০ শতাংশ সফলতার সঙ্গে কাজ করতে পারে এটি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত