গাজীপুর

১০ বছরে ইজাদুরের নগদ টাকা বেড়েছে ৪১ গুণ

আপডেট : ০৭ মে ২০২৪, ১২:০৪ পিএম

২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ইজাদুর রহমান মিলন। এরপর গত ১০ বছরে তাঁর ব্যাংকে জমা ও নগদ টাকার পরিমাণ বেড়েছে ৪১ গুণ। এ সময়ে তাঁর আয় বেড়েছে প্রায় দেড়গুণ। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ইজাদুর রহমান মিলনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১৪ এবং ২০২৪ সালে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০১৪ সালে তিনি ও তাঁর স্ত্রী মিলিয়ে নগদ টাকা ও ব্যাংকে জমা ছিল ৮ লাখ টাকা যা ২০২৪ সালে এসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি সাড়ে ৩ লাখে। যদিও এই সময়ে তাঁর আয় বেড়েছে দেড়গুণ। 

হলফনামায় নিজের পেশা হিসেবে তিনি দেখিয়েছেন ব্যবসা ও ভাড়া উত্তোলন। ২০১৪ সালে কৃষি খাত, বাড়িভাড়া ও ব্যবসা থেকে আয় দেখিয়েছিলেন ৯ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা। আর ২০২৪ সালে হলফনামায় এসব খাতে তিনি আয় দেখান ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৪ টাকা। 

২০১৪ সালে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার ছিল ১০ বছরে তা বেড়ে হয়েছে ২৫ লাখ টাকা। তবে আগে তার ৫১ তোলা স্বর্ণ থাকলেও এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ২১ তোলা। ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৯ লাখ ৫ হাজার ৫৭৫ টাকা। তার একটি শর্টগান, একটি পিস্তল ও একটি বন্দুক রয়েছে। 

২০১৪ সালে তিনি ৩৮ লাখ ২০ হাজার টাকার ঋণ থাকলেও এখন তার কোন ঋণ নেই। বর্তমানে তার ৫টি গ্যারেজ রয়েছে যা তিনি ভাড়া দিয়েছেন। তার নামে তিনটি মামলা চলমান রয়েছে। 

এ উপজেলায় আরও চারজন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে লড়ছেন। তারা সবাই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী। ইজাদুর রহমান মিলন বিএনপির সহ-সভাপতি পদে থাকলেও দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় সম্প্রতি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারপরও বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপির যারা কোন বড় পদ-পদবীতে নেই এরকম নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে কাজ করছেন।

হলফনামায় তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করা হয়েছে এমএ। তিনি সদর উপজেলার ভবানীপুরে মুক্তিযোদ্ধা কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত