মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসায় কোনো ফি নেন না অভিনেতা ও ডা. এজাজুজল হক এজাজ। দেশ রূপান্তরের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই বললেন গরিবের ডাক্তার খ্যাত জনপ্রিয় এই অভিনেতা।
মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার সময়ই রংপুর বেতারে নিয়মিত সংবাদ পাঠ করতেন, অংশ নিতেন রেডিওর নাটকে। চিকিৎসাবিদ্যা পড়াশোনার বরাতে হয়েছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের প্রধান। এখন অবসর। এই অবসরে অভিনয় আর পুরোপুরি চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত ডা. এজাজুল হক এজাজ।
গরিবের ডাক্তারি কেমন চলছে? দেশ রূপান্তরের এক প্রশ্নের জবাবে এজাজ বলেন, আপনিই সম্ভবত ‘গরিবের ডাক্তার’ উল্লেখ করে আমার প্রথম প্রতিবেদন করেছেন। এখন আমাকে শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরেও বাঙালিরা এই নামে চেনে। রাজকুমার ছবির শুটিং করতে গিয়েছি, সেখানে একজন আমার সঙ্গে দেখা করতে এলেন।
তিনি বললেন, ‘আপনি তো গরিবের ডাক্তার, শুধু এইজন্য আপনার সঙ্গে আমার দেখা করার বাসনা ছিল। উনি সারা দিন আমার সঙ্গে ছিলেন, গাড়ি নিয়ে ঘুরিয়েছেন। বেশ ভালো একটা অভিজ্ঞতা। আর আমার চেম্বার তো গাজীপুর চৌরাস্তায়। সেখানে আমি মাসের ২১ দিন রোগী দেখি। ৭ দিন শুটিংয়ের জন্য রাখি।
মুক্তিযোদ্ধাদের প্রসঙ্গে বলেন, দেখেন আমি হয়তো সবক্ষেত্রে সবার সহায়তা করতে পারি না। কারণ আমি তো সব ধরনের বিশেষজ্ঞ নই। তারপরেও যারা আমার কাছে আসেন, আমি তাদের সেই মতো হাসপাতালে স্থানান্তর করি। এরপর তার যেন খরচ কম হয়, ওই হাসপাতালে বলে দেওয়ার চেষ্টা করি। আর আমি মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার ফি নিই না। কারণ তাদের কাছে আমরা ঋণী। তাদের সেবা করতে পারাটাও সৌভাগ্যের।
পুরো সাক্ষাৎকারটি পড়ুন এখানে
নিজের পদ্ধতিতে মস্তিষ্কের ক্যানসার মুক্ত হলেন চিকিৎসক
ইশতিয়াক আহমেদের ‘গোলাপজল’
ভারতের সবচেয়ে ধনী নায়িকা ঐশ্বরিয়া
মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসায় কোনো ফি নিই না