রেলপথ মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম বলেছেন, আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর আমাদের সবচেয়ে বড় সফলতা এদেশের মানুষকে স্বাধীনতা এনে দেওয়া। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সারা দিয়ে এদেশকে স্বাধীন করা হয়েছিল। এটা হলো আওয়ামী লীগের সবচাইতে বড় অর্জন।
আজ রবিবার (২৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় দিকে রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মো. জিল্লুল হাকিম বলেন, দেশটা স্বাধীন করার পর দেশি ও বিদেশিরা চক্রান্ত করে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। আমদের পিছিয়ে দেওয়া হলো। আর স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে চক্রান্ত করা হলো। কিন্তু চক্রান্ত বেশিদিন থাকে না। বেশিদিন টিকতে পারে না। যখনই জাতিসংঘ থেকে আমাদের বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হলো তারপর সব ষড়যন্ত্র থেমে গেল।
বঙ্গবন্ধু একমাত্র নেতা যার পক্ষে সম্ভব ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতার স্বপক্ষে যুদ্ধে নামান। এবং যুদ্ধে জয়লাভ করার মতো। আজ বঙ্গবন্ধু আমাদের মধ্যে নেই। কিন্তু আমাদের মধ্যে আছে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা। যার নেতৃত্বে আজ আমাদের দেশটা এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা পদ্মা সেতুর মতো একটা সেতু বানাতে পেরেছি। মেট্রোরেলের মতো জনগণের উপকারী একটা বাহন তৈরি করতে পারছি।
তিনি রাজবাড়ীবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, রাজবাড়ী রেলের শহর ছিল। সেই রেলের শহরের বিলপ্তি ঘটেছিল। রেলের শহর হিসেবে আর রাজবাড়ীর নাম ছিল না। এটা বিএনপির আমলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। বিভিন্ন জায়গা থেকে রেললাইন উপড়ে ফেলা হয়েছিল। রেললাইন খুলে বিক্রি করে ফেলা হয়েছিল। রেলের শহর হিসেবে রাজবাড়ীবাসীর জন্য একটা আলাদা ট্রেন দেওয়া হয়েছে। এটি ফরিদপুর-ভাঙ্গা হয়ে ঢাকা যাতায়াত করছে।
তিনি বলেন, রাজবাড়ীতে দেশের সর্ববৃহৎ কারখানা হচ্ছে। কারখানা হলে এখানে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এ ছাড়া রাজবাড়ীকে রেলের একটি ডিভিশন করার চেষ্টা চলছে। আমরা যখন কলেজে পড়তাম তখন রাজবাড়ীতে একটা সুন্দর স্টেশন ছিল। এখন দেখলে খারাপ লাগে। এখানে একটা সুন্দর স্টেশন তৈরি করা হবে। ইতোমধ্যে টেন্ডার হয়ে গেছে।
আলোচনাসভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী। এ ছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফকীর আব্দুল জব্বার, বর্তমান চেয়ারম্যান শফিকুল মোরশেদ আরুজ, সাবেক পৌর মেয়র মোহাম্মদ আলী চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা যুবলীগ, ছাত্র লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নারী সহকর্মীর সঙ্গে হোটেলে ধরা, ডিএসপি থেকে কনস্টেবলে পদাবনতি
দুবাইয়ে জায়েদ খানের হাতে বাংলাদেশের পতাকা
শৈলকুপায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু