মিলারের ক্যাচ নিতে দড়িতে পা লাগেনি- দাবি সূর্যকুমারের

আপডেট : ০২ জুলাই ২০২৪, ০৫:৪৯ পিএম

রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। ম্যাচটির টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে বলা হচ্ছে হার্দিক পান্ডিয়ার করা শেষ ওভারের প্রথম বলে সূর্যকুমার যাদবের নেওয়া ডেভিড মিলারের সেই ক্যাচ। কেউ কেউ দাবি করছেন, ক্যাচ নেওয়ার সময় সূর্যকুমারের পা সীমানা দড়িতে লেগেছিল। এবার সেই বিষয়ে মুখ খুললেন সূর্যকুমার।

জয়ের জন্য শেষ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়োজন ছিল ১৬ রানের। মিলারের শটটি ছক্কা হলে সমীকরণ দাঁড়াত ৫ বলে ১০ রান। শেষ পর্যন্ত ৭ রানে হেরে যায় প্রোটিয়ারা। ম্যাচ শেষে ওই অসাধারণ ক্যাচ নিয়ে উচ্ছাস প্রকাশ করেছিলেন সূর্যকুমার। এবার জবাব দিলেন ক্যাচ-বিতর্কের।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সূর্যকুমার বলেছেন, “রোহিত ভাই সাধারণত লং-অনে ফিল্ডিং করেন না। কিন্তু সেই সময় তিনি সেখানে ছিলেন। তাই বলটি যখন আসছিল আমি এক সেকেন্ডের জন্য তার দিকে তাকাই, তিনিও আমার দিকে তাকিয়েছিলেন। আমি দৌড়াতে শুরু করি, লক্ষ্য ছিল ক্যাচটি নেওয়া। তিনি (রোহিত) কাছে থাকলে, বল তার দিকে ছুড়ে দিতাম। কিন্তু তিনি কাছাকাছি ছিলেন না। এরপর ৪ বা ৫ সেকেন্ডে যা ঘটেছে, আমি সেটা ব্যাখ্যা করতে পারব না।”

কিন্তু ক্যাচ নেওয়ার সময় সূর্যকুমারের পা কি সীমানা দড়ির ওপর থাকা কুশনে লেগেছিল? টিভি রিপ্লেতে বিষয়টি স্পষ্ট বোঝা যায়নি। দক্ষিণ আফ্রিকাও এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করেনি। এ নিয়ে সূর্যকুমার বলেছেন, “আমি যখন বলটি মাঠের ভেতরে ঠেলে দিই এবং ক্যাচটি নেই, আমি জানি—আমার পা দড়ি স্পর্শ করেনি। আমি শুধু একটা জিনিস নিয়েই সতর্ক ছিলাম, পা যেন দড়িতে না লাগে। আমি জানতাম, এটা সঠিক ক্যাচ।”

সূর্যকুমার আরও বলেন, “যেকোনো কিছুই ঘটতে পারত। বলটি যদি ৬ হয়ে যেত, সমীকরণটি ৫ বলে ১০ রানের দাঁড়াত। এরপরও হয়তো আমরা জিততাম। কিন্তু জয়ের ব্যবধানটা কম হতে পারত। যে ক্যাচটি আমি নিয়েছি, এটা বিভিন্ন মাঠে বাতাসের ওপর নির্ভর করে অনুশীলন করেছি।”

এর আগে অবশ্য ভারতের ফিল্ডিং কোচ টি দিলিপ বলেছিলেন, অনুশীলনে সূর্যকুমার এমন ক্যাচ অন্তত ৫০টা নিয়েছিলেন। যার ফল বিশ্বকাপ ফাইনালে তার অমন দুর্দান্ত ফিল্ডিং।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত