কোটা আন্দোলনে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, ৫ দিন পর জানল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২৪, ০৩:৪৬ পিএম

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে মিরপুর গোলচত্বরে চলা সংঘর্ষে গত শুক্রবার গুলিবিদ্ধ হয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। ওই শিক্ষার্থীর নাম আহসান হাবিব তামিম। তিনি গণিত বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজির অনুসারী ছিলেন তামিম।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অধ্যাপক মিজানুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তামিমের বাবার সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি নিজেই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিহত তামিমের বাবার বরাত দিয়ে তিনি আরো জানান, গত শুক্রবার (১৯ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে তামিম মিরপুরের বাসা থেকে বের হয়ে গোলচত্বরের দিকে যান। কিছুক্ষণ পরই তামিমের বাবার মোবাইলে একটি ফোন আসে, জানানো হয় তামিম গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এই খবর শুমে তামিমের বাবা গোলচত্বর এলাকায় যান। সেখানে লোকজন তাকে আল হেলাল হাসপাতালে যেতে বলেন। আল হেলাল হাসপাতালে গেলে সেখান থেকে তামিমের বাবাকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে বলা হয়। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে গেলে সেখানে তামিমের গুলিবিদ্ধ মরদেহ দেখতে পান তার বাবা।

তিনি আরো জানান, এরপর তামিমের পরিবারের লোকজন তার মরদেহ নিয়ে নোয়াখালীর চাটখিলে তার গ্রামের বাসায় যান। সেখানে পর দিন শনিবার (২০ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে জানাজা শেষে তামিমের মরদেহ দাফন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, গত শুক্রবার রাতেই তামিমের বিষয়ে এক পথচারী আমাকে ফোন করে জানিয়েছিল। কিন্তু বিভাগে সেদিন খোঁজ করে তার বিষয়ে জানা যায়নি। আজ সকালে ওর মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হলাম।

এ বিষয়ে কথা বলতে তামিমের বাবাকে বারবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত