‘মানবাধিকার ইমেজ’ বদলে উদ্যোগ চান ব্যবসায়ীরা

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২৪, ০৬:৪৮ এএম

গত কয়েক দিনে কোটা সংস্কার আন্দোলন কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনায় বিশ্বে বাংলাদেশের ‘মানবাধিকার ইমেজ’ নিয়ে চিন্তিত দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরা। ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে সরকারকে একক ভূমিকা পালনের পাশাপাশি বেশি বেশি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আইনের মাধ্যমে দেশের শৃঙ্খলা উন্নত হয়েছে বলে প্রচার করার পরামর্শও দিয়েছেন তারা। সরকারের উপদেষ্টা ও মন্ত্রীরা ভাবমূর্তি সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে তা উদ্ধারে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছেন।

গতকাল রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) কার্যালয়ে দেশের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় কোটা আন্দোলনে সৃষ্ট সংকট নিরসনে আলোচনা করেন সরকারের মন্ত্রী-উপদেষ্টা ও শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

বৈঠকে উপস্থিত থাকা কয়েকজন ব্যবসায়ী নেতা জানিয়েছেন, সালমান এফ রহমান ব্যবসায়ীদের কাছে ক্ষতির বিবরণ জানতে চেয়েছিলেন। তখন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি আশরাফ আহমেদ তার বক্তব্যে মানবাধিকার নিয়ে ইমেজ সংকটের বিষয়টি তুলে আনেন।

সরকারের উদ্দেশে আশরাফ আহমেদ বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে এখন বড় অভিযোগ হলো মানবাধিকার লঙ্ঘন। এটাই তো মূল ঘটনা। সবকিছু যে আইনের মধ্যে হচ্ছে, তা বিশে^র সামনে তুলে ধরতে হবে। আমাদের কার্যক্রমের সঙ্গে পুলিশ যখন প্রসেসটা নেবে, আমরা আশা করি প্রসেসটা যদি আইন অনুসারেও চলে, সে ক্ষেত্রেও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা খুব একটা থাকে না। এই যে আইন অনুসারে কাজটা হচ্ছে, তা বিশ্বের জনগণকে জানানো জরুরি। এখন প্রতি ছয় ঘণ্টায় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের জন্য একটা করে প্রেস কনফারেন্স করা উচিত।’

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমরা ব্যবসায়ীরা বসেছি, সেদিন আমরা আমাদের কোনো ডিমান্ড দিইনি। কারণ তখন আমরা সংকটের মধ্যে যাচ্ছিলাম। আমরা চাই যত দ্রুত সম্ভব ব্রডব্যান্ড চালু করা, যেটা চালু করেছে আপ-টু-দ্য মার্ক হচ্ছে না। ক্ষতিগ্রস্ত যেসব খাত হয়েছে, সেগুলোকে দীর্ঘমেয়াদে কীভাবে পলিসি সাপোর্ট দেওয়া যায়, আমরা সেটার জন্য অনুরোধ করব। ডলার অবমূল্যায়নের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে সেটি নিয়েও কথা বলা দরকার।’

তিনি বলেন, ‘এ আনস্টেবল সময়ের মধ্যেও যদি ৫ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে বেতন ঠিকমতো দিতে পারি তাহলে বাইরে আমাদের ভাবমূর্তি আরও উজ্জল হবে। এক্সক্লুসিভলি আমি অনুরোধ করব আমরা যাতে এটা ভালোভাবে করতে পারি।’

বৈঠক সূত্র বলছে, ‘বিনিয়োগ উপদেষ্টার উদ্দেশে এমসিসিআইয়ের এক প্রতিনিধি বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে ইমেজ সংকটই আমাদের এখন প্রাথমিক উদ্বেগ। ইন্টারনেট দ্রুত খুলে দেওয়া দরকার। এটা বন্ধ করে আমরা সাসটেইন করতে পারব না। গত কয়েক দিনের ঘটনায় সবাইকে আক্রান্ত করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের ভাবমূর্তি আবার ফিরিয়ে আনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গ্লোবাল বিজনেস কমিউনিটির কাছে আমাদেরই দায়িত্ব নিতে হবে। এখন সাপ্লাই চেইন ঠিক রাখা, এক্সপোর্ট ঠিক রাখা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

বিটিএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন বলেন, ‘গত কয়েক দিনের ঘটনায় আমাদের সাংঘাতিক রকমের ক্ষতি হয়েছে। আমাদের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ ইন্ডাস্ট্রি শুধু রপ্তানিতেই নয়, স্থানীয় বাজারের সঙ্গেও জড়িত। আমাদের ব্যাংকিং পেমেন্টকে যদি ডেফার্ড করা যায়, তাহলে এটার সাপোর্ট করা যায়। আর দ্বিতীয় হলো জুলাই মাসের গ্যাস-বিদ্যুতের যে বিল আছে সেটিও যদি ডেফার্ড করা যায় অথবা এগুলোকে কয়েকটা কিস্তিতে ভাগ করে দেওয়া হয় তাহলে ভালো হয়। আমাদের পোর্টে মাল এসে পড়েছিল, কিন্তু কোনো ডকুমেন্টস আসেনি। যখন গন্ডগোল লাগে তার পাঁচ-ছয় দিন আগে মাল আসে, কিন্তু ডকুমেন্টস পেয়েছি গতকাল। স্থানীয় বাজারে আমরা কারফিউর কারণে মালামাল সরবরাহ করতে পারিনি।’

বৈঠকে দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলালউদ্দিন বলেন, ‘স্বাধীনতার পরে এত বড় সংকট বাংলাদেশে হয়নি, এত প্রাণহানিও ঘটেনি। কারফিউ যদি রাত ৯টা পর্যন্ত শিথিল করা হয়, আমাদের ব্যবসা করা সুবিধা হয়। তাহলে লোকজন বেরিয়ে আসবে, কিছু কেনাকাটা করতে পারবে। ৮০ শতাংশ ব্যবসায়ী আমাকে বলেছেন, কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার মতো টাকা তাদের হাতে নেই।’

বেসিসের প্রেসিডেন্ট রাসেল টি আহমেদ বলেন, ‘ইন্টারনেট ছাড়া আমরা একটা স্টেপও দিতে পারি না। ইন্টারনেট বন্ধ থাকার কারণে আমাদের বেশ কিছু ক্লায়েন্ট চলে গেছেন। ভয়টা হচ্ছে, এর কারণে আমাদের চাকরি হারানোর সংখ্যা বাড়বে। অন্যদের মতো আমরা ব্যাংকিং সুবিধা চাই না, তবে এবার মনে হয়েছে আমরা যদি ব্যাংকের কিছু সুবিধা পাই, তাহলে কিছু ক্লায়েন্ট ধরে রাখতে পারি।’

বৈঠকে বেসিস সভাপতি দাবি করেন, ‘ইন্টারনেট মূলত দমিয়ে রাখা হয়েছিল। গ্লোবাল ইমেজে যেটা হচ্ছে সেটি হলো আমার ডেটা সেন্টার ডাউন হওয়ার ফলে ইন্টারনেট বন্ধ ছিল এটার খুব নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তারা আমাদের বলছে, তোমার দেশ এত দুর্বল? তারা আমাদের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলছে। এখন সরকার ও প্রাইভেট সেক্টর থেকে একক মেসেজ ডেভেলপ করা উচিত। আমরা যখন ক্লায়েন্টকে বলি আমাদের ডেটা সেন্টার পুড়ে যাওয়ায় ইন্টারনেট বন্ধ হয়েছে, কেউ আমাদের কথা বিশ্বাস করছে না। পরে তারা আমাদের দেশে আসবে না।’

বিজিএমইএ সভাপতি এস এম মান্নান কচি বলেন, ‘অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা আমরা মেনে নিয়েছি। দ্রুতই আমরা ফ্যাক্টরি চালু করতে পেরেছি। বন্দরে কনটেইনার জট খুবই শঙ্কার কারণ। এ পাঁচ দিনে আমাদের প্রায় ৭ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। আমাদের গ্যাসের সংকট সবচেয়ে প্রকট। আমরা প্রেসার পাচ্ছি না।’

স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘গত কয়েক দিনে স্টিল ও সিমেন্ট সেক্টরে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা নিট লোকসান হয়েছে। আমাদের প্রতিদিন রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে ৩০০ থেকে ৩৫০ কোটি টাকা।’

চামড়া খাতের প্রতিনিধি নাসিম মঞ্জুর বলেন, ‘আমাদের চামড়ায় এখন পিক সিজন চলছে। পিক সিজনের কেনাকাটা করি মূলত মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে করি। ১০ থেকে ১৫ দিন আমরা কোনো কেনাকাটা করতে পারছি না। সাপ্লাই চেইনে যে ব্যাঘাত ঘটেছে, আর আমদানিকৃত কেমিক্যাল আমরা ছাড় করাতে পারছি না চট্টগ্রাম বন্দর থেকে। যার কারণে আমাদের উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। আর আমাদের বিদ্যুৎ বিলের ইন্টারেস্ট এক মাসের জন্য যদি মওকুফ করে দেন, তাহলে উপকার হয়। গ্যাসের বিলটাও ডেফার্ড করলে আমরা উপকৃত হব।’

ফরেন ইনভেস্টর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ফিকি) দাবি করে, দেশ যে ইমেজ সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে তা পরিমাপ করা যায় না। কারণ গত কয়েক সপ্তাহে সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমান সামাজিক অস্থিরতা এ দেশের উন্নয়নকে অন্তত ১০ বছর পিছিয়ে দিয়েছে। একটি নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ।

ফিকির দাবি, সাম্প্রতিক শাটডাউন বাংলাদেশের ওপর উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলেছে, যার আনুমানিক পরিমাণ ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি এবং যা প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে।

রুদ্ধদ্বার বৈঠকের আগে সরকারের দুই মন্ত্রী ও এক উপদেষ্টা বলেছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট ঘটনায় দেশে-বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি যে ক্ষুন্ন হয়েছে, তা কোনোভাবে অস্বীকার করা যাবে না। এখন ব্যবসার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে ভাবমূর্তি উদ্ধার করাই হবে সরকারের প্রধান কাজ। এজন্য ব্যবসায়ীদের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত সোমবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন অনেক ব্যবসায়ী নিজ নিজ খাতের সমস্যার কথা তুলে ধরার সুযোগ পাননি। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ছয় দিনের মাথায় ব্যবসায়ীদের নিয়ে দ্বিতীয় দফায় বৈঠকে বসেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা।

মতবিনিময় সভার শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, ‘আমরা একটা সংকটময় পরিস্থিতিতে চলে এসেছি। এটা আমাদের স্বীকার করতে হবে যে, আমাদের একটা ভাবমূর্তি-সংকট হয়েছে। এটা মেরামত (রিপেয়ার) করতে হবে। ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়া এ কাজ সম্ভব নয়।’

চলমান পরিস্থিতিতে দেশের ভাবমূর্তি-সংকটের কথা জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলামও। তিনি বলেন, ‘গত সপ্তাহখানেক সময়ে দেশে-বিদেশে যতজনের সঙ্গে কথা হয়েছে, তাতে বোঝা গেছে যে, দেশের জন্য বড় ধরনের একটা ভাবমূর্তি-সংকট তৈরি হয়েছে। এখন এটা থেকে উত্তরণের পথ বের করতে হবে। কাউকে দোষারোপ করে সমস্যার সমাধান হবে না। এজন্য একটা দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দিকে যেতে হবে।’

বর্তমানে দেশ ‘একটি অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে’ বলে সভায় মন্তব্য করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি সবাইকে আহত ও ব্যথিত করেছে। শুধু দেশের অভ্যন্তরে নয়, বহির্বিশ্বেও এটা ছড়িয়ে গেছে। এটা এখন আমাদের সবার সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা অস্বীকার করার কিছু নেই। চলমান পরিস্থিতিতে কোন খাতে কী সমস্যা হয়েছে এবং কত দ্রুত আমরা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারি, তা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা দরকার।’

চলমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন খাতের কী পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার একটা সম্ভাব্য হিসাব আজকের (রবিবার) মধ্যে দেওয়ার জন্য ব্যবসায়ী নেতাদের প্রতি অনুরোধ জানান সালমান এফ রহমান। তিনি বলেন, ‘আনুমানিক হিসাব পেলে সেটির আলোকে সরকার কাজ করবে।’

উপদেষ্টা, দুই মন্ত্রী ও এফবিসিসিআই সভাপতির সূচনা বক্তব্যের পর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের প্রায় দুই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের সামনে বৈঠকের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। তিনি বলেন, ‘আজকে অনেক খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের থেকে অনেক পরামর্শ পেয়েছি, যা নিয়ে আমরা ভবিষ্যতে কাজ করব।’

সালমান এফ রহমান জানান, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাঁচটি বিষয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রথমটি চট্টগ্রাম বন্দর-সংক্রান্ত। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বন্দরে কনটেইনার-জট রয়েছে; আমদানি-রপ্তানি পণ্য খালাসে বিলম্বের জন্য বাড়তি মাশুল দেওয়া লাগছে। এ ধরনের বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি ব্যক্তিদের নিয়ে শিগগিরই একটি সভা করা হবে।

ইন্টারনেট বন্ধ ও সীমিত থাকায় গত কিছুদিনে ব্যবসায়ীরা বিশেষ করে অনলাইনভিত্তিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, প্রচলিত ইন্টারনেট ব্যবস্থার বাইরে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিকল্প একটি ইন্টারনেট ব্যবস্থা তৈরি করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখতে ব্যবসায়ীরা পরামর্শ দিয়েছেন। এটি নিয়ে আমরা কাজ করব।

চতুর্থত, ব্যবসায়ীরা গ্যাস-বিদ্যুতের বেশি দাম ও নিরবচ্ছিন্ন সেবা পাওয়ার বিষয়ে অভিযোগ করেছেন বলে সালমান এফ রহমান জানান। তিনি বলেন, এসব সমস্যা নিয়ে দ্রুতই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অংশীজনদের নিয়ে বৈঠক করা হবে। এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের এনবিআর-সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলো নিয়েও পৃথক বৈঠক করা হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত