কমছে পানি মিলছে লাশ জাগছে ক্ষত

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৪, ০৮:২৬ এএম

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে। এক সপ্তাহের বেশি সময় স্থায়ী ওই বন্যায় ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে রেকর্ড পরিমাণ। সরকারি হিসাবেই ১১ জেলায় বিস্তার লাভ করা বন্যায় মৃত্যুর সংখ্যা ৫২। এর মধ্যে শুধু ফেনীতেই ১৯ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। এখনো অনেকের খোঁজ করে ফিরছেন স্বজনরা। অনেক নিখোঁজের মরদেহও মিলছে ঘরে কিংবা ঝোপঝাড়ে।

এবারের বন্যায় কৃষি খাত ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে অন্য যেকোনো বন্যার চেয়ে বেশি। এবার ত্রাণের সংকট না থাকলেও বিতরণের সমন্বয়হীনতা এখনো ভোগাচ্ছে বন্যা দুর্গতদের। পানি যত কমছে ততই ফুটে উঠছে বন্যার ক্ষত। তবুও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন বানভাসি মানুষ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কেএম আলী রেজা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫৫ লাখের বেশি মানুষ। এখনো পানিবন্দি ১০ লাখ ৭২ হাজার ৫৭৯ জন।

গত ২০ আগস্ট দুপুর থেকে ফেনীতে বন্যা শুরু হয়। পরদিন ২১ আগস্ট দুপুর থেকে তা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। জেলার পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলা শুরুতে বন্যাকবলিত হলেও যা পরে ফেনী সদর, সোনাগাজী ও দাগনভূঞায় ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক দিন ধরে ফেনীতে বন্যার্তদের সহযোগিতায় কাজ করছেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়নকেন্দ্রের (ক্যাপস) পরিচালক আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার। তার বর্ণনায় ফুটে ওঠে বন্যার ভয়াবহতা। তিনি বলেন, ‘ফেনী বন্যাপ্রবণ এলাকা হলেও গত ৫০ বছরের এমন ভয়াবহতা দেখেনি এখানকার মানুষ। আগে থেকে ফোরকাস্ট আসেনি। সতর্ক করাও হয়নি। মানুষ চিন্তাই করতে পারেনি এত ভয়ংকর রূপ নেবে বন্যা।’

অধ্যাপক কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, ‘শুরুতে যখন বন্যার পানি আসতে শুরু করে তখন অনেকে ঘরেই ছিল। বন্যা এত ভয়ংকর রূপ নেবে সেটা আঁচ করতে পারেনি এখানকার মানুষ। যখন বন্যার পানি ঘরে ঢুকতে শুরু করে তখন অনেকেই ঘরের মাচায় আশ্রয় নিয়েছিল। ভেবেছে পানি হয়তো নেমে যাবে। কিন্তু দেখা গেল সেই মাচা পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। সাত ফিট পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। সেই মাচা থেকে বের হতে পারেনি। পানির যে স্রোত ছিল সেই স্রোতেও অনেকে ভেসে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘১৯৮৮ সালে যে বন্যা হয়েছিল তখন ২০ শতাংশ মানুষের বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে। কিন্তু এবারের বন্যাটা ছিল এমন যে, ৯০ শতাংশ বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে। এমনকি একতলা সমান বাড়িঘরও পানির নিচে ডুবে গেছে।’

তার মতে, সতর্ক থাকার চেয়ে বড় কথা মানুষের কোনো বিকল্প ছিল না। ভারতের উজান থেকে হঠাৎ করে পানিতে ততক্ষণে সব তলিয়ে গেছে।

গতকাল পাওয়া বেশ কয়েকটি মরদেহের বিষয়ে ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া ভূঁইয়া বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তারা বন্যার কারণেই মারা গেছেন। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় তাদের সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ হয়নি।’

জেলা প্রশাসক শাহীনা আক্তার বলেন, ‘কী কারণে তারা মারা গেছেন তার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। পুলিশ প্রশাসন থেকে লাশ উদ্ধারের তথ্য আমরা পেয়েছি। পরে তদন্ত সাপেক্ষে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।’

ক্ষয়ক্ষতি অফুরান : আকস্মিক বন্যায় আয় ও পুঁজি হারিয়ে পথে বসেছেন ফেনীর আড়াই হাজারেরও বেশি পোলট্রি ও ডেইরি শিল্পের উদ্যোক্তারা। স্রোতের তোড়ে ভেসে গেছে মুরগির খামার, গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া। এখন ঘুরে দাঁড়াতে আর্থিক প্রণোদনার কথা বলছেন ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা।

জেলার ছয় উপজেলায় ৩৯টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ৩৮ হাজার ৭৩১টি গরু, ৩৫৯টি মহিষ, ১৫ হাজার ৫৮৮টি ছাগল ও ৭৩৬টি ভেড়া মারা গেছে। এ ছাড়া ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৫১০টি মুরগি ও ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪৭২টি হাঁস মারা গেছে। মৃত পশুপাখির মোট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ৩০৮ কোটি ৩৬ লাখ ৩৯ হাজার ৮৩০ টাকা।

সূত্র জানায়, জেলায় ৪২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৩টি গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগি বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। ১ হাজার ৯৯২টি গবাদি পশুর খামারের ১৩ কোটি ১৭ লাখ ৩৯ হাজার ২০০ এবং ১ হাজার ৬২৩টি হাঁস-মুরগির খামারের ১০ কোটি ৯৭ লাখ ৫ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া ৩ হাজার ৯৫০ টন পশুপাখির দানাদার খাবার বিনষ্ট হয়েছে, যার বাজারমূল্য ২৩ কোটি ৪৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। জেলায় ৩ কোটি ৮১ লাখ টাকার খড়, ৩ কোটি ৮১ লাখ ৫০ হাজার টাকার পশুপাখির ঘাস বিনষ্ট হয়েছে। প্লাবিত হয়েছে ২৮৫ একর চারণভূমি।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মোজাম্মেল হক জানান, এবারের ভয়াবহ বন্যায় সব মিলিয়ে ফেনীতে প্রাণিসম্পদের ক্ষতি হয়েছে ৩৯৬ কোটি ৯ লাখ ৫৪ হাজার টাকার। খামারিদের ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে খাদ্যসহ সব ধরনের সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সহজ শর্তে ঋণ, পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

ফেনীর মতো একই বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে কুমিল্লায়। আকস্মিক বন্যায় কুমিল্লার বেশিরভাগ অঞ্চল প্লাবিত হয়। বন্যার এক সপ্তাহ পার হলেও এখন ভারতের উজানের পানি আসা অব্যাহত রয়েছে। তবে তা বিপদসীমার নিচে রয়েছে। এ ছাড়া ধীরগতিতে নামছে বন্যার পানি। অবিরাম বৃষ্টি ও ভারত থেকে আসা ঢলে কুমিল্লার ১৭ উপজেলার মধ্যে ১৪টি উপজেলায় বন্যা হয়। সেই সঙ্গে তলিয়ে যায় ৬৩ হাজার ৭৯৪ হেক্টর জমির ফসল। যার ক্ষতি হয়েছে ৮৪৮ কোটি টাকা। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, অতীতের এমন ক্ষতি আর হয়নি এ জেলায়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপপরিচালক আইয়ুব মাহমুদ বলেন, ‘বৃষ্টির পানি ও বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির এটি প্রাথমিক তালিকা। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। চূড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরবর্তীকালে জানানো হবে। বন্যা-পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিজমি এবং কৃষকদের পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই করা হবে।’

সপ্তাহব্যাপী বন্যায় বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে জেলার কুলাউড়া, কমলগঞ্জ, রাজনগর, জুড়ী ও মৌলভীবাজর সদর উপজেলায়। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাড়িঘর-রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে নানা সংকট। দেখা দিয়েছে নানা রোগবালাইও। অনেকে রান্নাবান্নার সুযোগ না পেয়ে শুকনো খাবার খেয়েই থাকছেন। অনেকে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশু লালন-পালন ও গো-খাদ্যের সংকটও দেখা দিয়েছে এসব অঞ্চলে।

সরেজমিন মনু ও ধলাই নদীপাড়ে বন্যাদুর্গতদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত দু-তিন দিনে মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর, কুলাউড়া ও কমলগঞ্জ উপজেলার অধিকাংশ উঁচু স্থানের পানি সরে গেছে। এতে অনেকের বাড়িঘর থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। ফলে অনেকে বাড়িঘরে ফিরছেন। অনেকে আবার বন্যায় ধসে পড়া ঘরবাড়ি মেরামতের কাজ করছেন। সেই সঙ্গে ঘরের ভেতর আটকে থাকা কাদাপানি সরাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

দিনমজুর রিপন মিয়া জানান, তৃতীয় দফা বন্যায় তাদের এলাকায় ৮ থেকে ৯ ফুট পানি উঠেছে। ঘরের চালের সঙ্গে নদীর পানি ছিল। এখন পানি সরে গেছে। শফিক আহমদ নামে আরেকজন বলেন, ‘এরকম বন্যা আমার জন্মের পর দেখিনি। একসঙ্গে এত পানির ঢল নেমে ঘর অর্ধেক ডুবে গেছে।’

ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, দফায় দফায় বন্যায় তারা একেবারে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। কারও ঘরের দরজা ভেঙে গেছে। আবার কারও ঘর ধসে গেছে। একই অবস্থা জেলায় প্রতিটি বন্যাদুর্গত এলাকায়। মনুপাড়ের বন্যাদুর্গত লোকজন চরম বেকায়দায় পড়েছেন।

জেলা প্রশাসক ড. ঊর্মি বিনতে সালাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। বরাদ্দ পাওয়ার পর তা সঙ্গে সঙ্গে বিতরণ করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘ধীরে ধীরে পানি নামতে শুরু করেছে। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।’

তিন দফা বন্যায় খাগড়াছড়িতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কৃষিতে। কৃষকদের এখন মাথায় হাত। কীভাবে ক্ষতি পুষিয়ে নেবেন, ভেবে কুল পাচ্ছেন না তারা।

খাগড়াছড়ি সদরের ২ নম্বর কমলছড়ি ইউনিয়নের দাতকুপ্যা গ্রামের কৃষক টুটেন্ট চাকমা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমি দুই একর জমিতে আমন চাষ করেছি, পরপর তিনবারের বন্যায় সব নষ্ট হয়েছে। আমি এখন দুই চোখে অন্ধকার দেখছি। নতুন করে যে জালা (ধানের চারা) লাগাব সেই সুযোগও নেই। এ ছাড়া আমাদের গ্রামে যত কৃষক আছি, যতগুলো জমিতে ধানচাষ করেছি, বিগত বন্যায় আমাদের ৯০ শতাংশ ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এখন যে নতুন করে রোপণ করব সে সুযোগও নেই।’

খাগড়াছড়ির কৃষি বিভাগের হিসাবমতে, পুরো জেলায় ২ হাজার ১২৪ হেক্টর ফসলি জমির ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে রোপা আমন, আউশ ও গ্রীষ্মকালীন শাকসবজি রয়েছে। এতে প্রায় ছয় হাজারের বেশি বেশি কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন।

খাগড়াছড়ি জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম মজুমদার জানিয়েছেন, কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে আগাম রবিশষ্য চাষে প্রণোদনা দেওয়াসহ সরকার থেকে যত সহযোগিতা পাওয়া যাবে, সেসব সহযোগিতা দেওয়া হবে।

এদিকে পাহাড়ি ঢল আর অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার প্রায় সবকটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়ে তিন লাখের অধিক মানুষ। স্তম্ভিত হয়ে পড়ে জনজীবন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় শত শত মানুষের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, সড়ক-মহাসড়ক, ব্রিজ-কালভার্ট, বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ মানুষের জানমাল। শুধু সড়কে দুটি দপ্তরের ক্ষতি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকা।

স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা প্রকৌশলী তন্ময় নাথ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির যেসব তথ্য পাওয়া গেছে, তা প্রাথমিক হিসাব। পুরো চিত্র পাওয়ার জন্য বন্যার পানি পুরোপুরি সরে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’

বন্যা পরিস্থিতি এখন উন্নতি হয়নি লক্ষ্মীপুর জেলায়। যার ফলে ক্রমেই ভোগান্তি বাড়ছে পানিবন্দি মানুষের। আশ্রয়ের খোঁজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছোটাছুটি করছে বানভাসিরা। ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা। স্থানীয়দের ভাষ্য, বন্যার অজুহাতে কোনো সাব-সেন্টার বা কমিউনিটি ক্লিনিকে ১০ দিন ধরে চিকিৎসক আসছেন না। এ ছাড়া কোনো স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কোনো ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না। এতে রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এ উপজেলায় ১০টি সাব-সেন্টার রয়েছে। সব বন্যার পানিতে ডুবে আছে। ফলে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। তারপরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, বন্যার্ত মানুষের সেবা দিতে।’

একই কথা বলেছেন রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামনা শীষ। তিনি বলেন, যত কষ্টই হোক, রোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে মেডিকেল টিম কাজ করছে।

প্রতিবেদনটি তৈরি করতে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছেন ফেনী, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, ফটিকছড়ি, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত