মধ্য আফ্রিকার দেশ কঙ্গোর বৃহত্তম কারাগার ভেঙে পালানোর চেষ্টাকালে ১২৯ জন বন্দি নিহত হয়েছেন। সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ২টার দিকে রাজধানী কিনশাসার মাকালা কেন্দ্রীয় কারাগারে এ ঘটনা ঘটে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাক শাবানি লুকু বিহাঙ্গো গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর সিএনএন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বেশ কয়েকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, কয়েক ডজন লাশ মাটিতে পড়ে আছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভিডিওতেও কারাগারের বেশ কয়েকটি ভবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে। একটি বাইরের দেয়ালে একটি বড় গর্ত দেখানো হয়েছে, যেখানে ইটগুলো সরানো হয়েছে বলে মনে হয়, যখন অন্যান্য বিল্ডিংয়ের দেয়ালগুলো কালো এবং পোড়া। ধারণ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, কারাগারের ধ্বংসাবশেষসহ বেশ কয়েকটি কক্ষ তছনছ হয়ে গেছে, অফিসের পুড়ে যাওয়া আসবাবপত্র ও কাগজপত্র মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।
কিনশাসার এক বাসিন্দা দাদি সোসো বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ঘটনার সময় কয়েক ঘণ্টা ধরে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায় এবং পরে তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়িগুলোকে ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ সরিয়ে নিতে দেখেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাক শাবানি লুকু বিহাঙ্গো, ‘সতর্কবার্তার পর বন্দুকের গুলিতে ২৪ জন মারা যান। বাকিরা ধাক্কাধাক্কিতে শ্বাসরোধে মারা যান এবং কয়েকজন নারীকে ধর্ষণ করা হয়। ৫৯ জনকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, কারাগার পালানোর চেষ্টার সময় অফিস, রেজিস্ট্রি, ইনফার্মারি এবং খাবারের ডিপোসহ বেশ কয়েকটি কারাগার ভবন আগুনে ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারাগার থেকে পালানোর চেষ্টার আগে মাকালা কারাগারে ১২ হাজারেরও বেশি বন্দি রাখা হয়েছিল, যদিও এই কারাগারে মাত্র দেড় হাজার লোক থাকতে পারে।
এর আগে ২০২৩ সালে দেশের প্রাচীনতম কারাগারগুলোর একটি মাতাদিতে আরেকটি কারাগার ভাঙা হয়েছিল, যেখানে ১৮৯ জন বন্দী পালিয়ে যায়। ২০২২ সালে একই কারাগারের অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র জব্দ করে দুই শতাধিক বন্দি পালিয়ে যায়।
হামলা অব্যাহত রাখলে বাকি জিম্মিরা ‘কফিনে’ ফেরত যাবে: হামাস
‘দেশটা তোমার বাপের নাকি’ গান গেয়ে গ্রেপ্তার কে এই আলতাফ