ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে রাজনীতি বন্ধের দাবি ওঠে। শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী, বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিমধ্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয় রাজনীতি। এবার সে পথেই হাঁটছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্য লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থী-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের রাজনীতি বন্ধ রাখার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রজ্ঞাপন বা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের এক সদস্য দেশ রূপান্তরকে বলেন, জরুরি সিন্ডিকেট বৈঠকে ক্যাম্পাসের ভেতরে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ছাত্র-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের রাজনীতি বন্ধ থাকবে।
ছাত্ররাজনীতি বন্ধের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. সায়েমা হক বিদিশা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সিন্ডিকেট সভায় এ বিষয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে যে সিদ্ধান্ত এসেছে, সেটি শিগগিরই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। সে পর্যন্ত ধৈর্য ধরার অনুরোধ করছি।’
