মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার ক্ষতির মুখে বিশ্ব

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২৪, ০১:১৮ এএম

‘দীর্ঘদিনের যুদ্ধে কোনো জাতি উপকৃত হওয়ার উদাহরণ নেই’, বলেছেন, দ্য আর্ট অব ওয়ার (যুদ্ধের শিল্প)-এর লেখক সান জু। তিনি যিশুখ্রিস্টের জন্মের কয়েকশ বছর আগে এই কথা বলে গিয়েছিলেন। সান জু ছিলেন প্রাচীন চীনের একজন বড়মাপের সামরিক কৌশলী, দার্শনিক ও লেখক। তার বাণী মধ্যপ্রাচ্যের বিষয়ে খুবই জুতসই বলে মনে হচ্ছে। এএফপির এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১ হাজার ৪১৮ জন নিহত হয়েছে। তবে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা এর অনেক বেশি। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরের বেশি সময়ে ইসরায়েলের হামলায় সেখানে নিহত হয়েছে অন্তত ৪২ হাজার ৫১৯ জন। আর আহত হয়েছে অন্তত ৯৯ হাজার ৬৩৭ জন। গত এক বছরের সংঘাতে গাজায় ১৪ হাজার ১০০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। সংস্থাটির মুখপাত্র জেমস এলডার বলেছেন, অবরুদ্ধ গাজার ১০ লাখ শিশুর জন্য উপত্যকাটি এখন ‘পৃথিবীর বুকে নরক’-এ পরিণত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যে নানামুখী সংঘর্ষ চলছে, তার আর্থিক ক্ষত ও ক্ষতি অনেক বেশি। যেসব সাধারণ মানুষ হত্যার শিকার হয়েছে তাদের জীবনের মূল্য আমাদের পক্ষে নির্ধারণ করা কীভাবে সম্ভব? এই দুর্ভাগা মানুষ-শিশু-নারীরা তো জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী কোনোভাবেই হত্যাযজ্ঞের শিকার হওয়ার কথা নয়। তাহলে পাশ্চাত্যের তৈরি এই কনভেনশন নিয়ে কেউ কোনো কথা বলছেন না কেন? এই প্রসঙ্গে আরেকদিন কথা বলা যাবে।

অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে

অন্য সমস্ত অঞ্চলে অস্ত্র স্থানান্তর/বিক্রি সামগ্রিকভাবে হ্রাস পেলেও এশিয়া-ওশেনিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ইউরোপের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে অস্ত্র আমদানি অব্যাহত রয়েছে। Stockholm International Peace Research Institute (SIPRI)-)-এর হিসাব অনুযায়ী ২০১৯-২৩ সালে ১০টি বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারকের মধ্যে প্রথম তিনটি হলো ভারত, সৌদি আরব এবং কাতার। বাকি ৭টি দেশ এশিয়া, ওশেনিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত। তবে, ২০২২-২৩ সালে ৩০টিরও বেশি দেশ থেকে অস্ত্র পাওয়ার পর ইউক্রেন বিশ্বব্যাপী চতুর্থ বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক দেশ হয়ে উঠেছে। বিশ্বের বৃহত্তম অস্ত্র সরবরাহকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র রপ্তানি ২০১৪-১৮ এবং ২০১৯-২৩ এর মধ্যে ১৭ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে রাশিয়ার কমেছে অর্ধেকেরও বেশি (-৫৩ শতাংশ)। ফ্রান্সের অস্ত্র রপ্তানি ৪৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এটি রাশিয়ার চেয়ে এগিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র সরবরাহকারী দেশে পরিণত হয়েছে।

অর্থনৈতিক প্রভাব

মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে চলমান সংঘর্ষ যদি কোনো পূর্ণ অঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেয়, তাহলে তেলের উৎপাদন বড় ধরনের ঘাটতির সম্মুখীন হবে। এতে করে তেলের মূল্য ক্রমশ বেড়ে যেতে পারে। সম্প্রতি অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ বেড়েছে, যা কি না ২০২৩ সালের মার্চের সংঘাত পরবর্তী সময়ের সবচেয়ে বড় পাক্ষিক উত্থান হিসেবে দেখা যেতে পারে। যুদ্ধ যদি ছড়িয়ে পড়ে সে রকম পরিস্থিতিতে ব্লুমবার্গ ইকোনমিক্স অনুমান করছে যে তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে বেড়ে ১৫০ ডলার হতে পারে। এতে, বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ১.৭ শতাংশে নেমে যেতে পারে যা একটি মন্দাকে নির্দেশ করে। এতে করে বিশ্বে উৎপাদন কমে যাবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার। কিছু বিশ্লেষক বিশ্বাস করেন যে OPEC+ এর অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা এবং মার্কিনিদের নিজেদের উৎপাদন বাড়িয়ে তাৎক্ষণিক সরবরাহের ধাক্কাকে সামলানো যেতে পারে। যাইহোক, মধ্যপ্রাচ্যে একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাত তেলের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি ব্যাঘাত ঘটাবে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। অর্গানাইজেশন অব পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ (ওপেক)-এর হিসাব অনুযায়ী ইরান পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম দশটি তেল উৎপাদনকারী দেশের একটি। তারা আগস্ট মাসে প্রতিদিন ৩.৩ মিলিয়ন ব্যারেল উৎপাদন করেছে যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ইরানের তেল রপ্তানি বিশ্বব্যাপী সরবরাহের কমপক্ষে ২ শতাংশ।

তেলের দামের এঁকেবেঁকে পথচলা

গত এক বছরে অপরিশোধিত তেলের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ৬৬ ডলার ও ৯৬ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করেছে, তবে সেপ্টেম্বরে অর্থনৈতিক উদ্বেগ ও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির কারণে দাম ১৬ মাসের সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠান নিউ ইয়র্কের ওয়ান্দা (ড়ধহফধ)-এর সিনিয়র মার্কেট বিশ্লেষক কেলভিন ওং মন্তব্য করেছেন: ‘কোনো দৃশ্যমান কূটনৈতিক লক্ষণ বা কার্যকলাপ দেখা যাচ্ছে না যা মধ্যপ্রাচ্যে শত্রুতা কমাতে সহযোগিতা করে।’ ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সামরিক সংঘাত তীব্রতর হলে মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা আগামীতেও প্রসারিত হতে পারে। তাই, নিরাপদ লগ্নি হিসেবে বিবেচিত সোনা এবং মার্কিন ডলারের চাহিদা বেড়ে যেতে পারে। অন্যদিকে প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট স্টকগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এদিকে, ইউরো মার্কিন ডলারের বিপরীতে দুর্বল হতে পারে, কারণ ইউরোপীয় অর্থনীতিতে জ্বালানির উঁচু দামের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্বব্যাংক বলছে, যে কোনো মাত্রার সংঘাতের প্রভাব কেমন হবে তা নির্ভর করছে সংঘর্ষের মাত্রাটির ওপর। একটি ‘ছোট ব্যাঘাত’ পরিস্থিতিতে, বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ প্রতিদিন ৫০০,০০০ থেকে ২ মিলিয়ন ব্যারেল কমে যেতে পরে যা ২০১১ সালে লিবিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় দেখা গিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে, তেলের দাম প্রাথমিকভাবে ৩ শতাংশ থেকে ১৩ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। এতে করে মূল্য গিয়ে দাঁড়াতে পারে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ ডলার থেকে ১০২ ডলার অব্দি। তবে সংঘাত যদি হয় মাঝারি আকারের, তবে, মোটামুটিভাবে প্রভাব হবে ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের সমতুল্য বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ প্রতিদিন ৩ মিলিয়ন থেকে ৫ মিলিয়ন ব্যারেল কমে যাবে। এটি তেলের দাম প্রাথমিকভাবে ২১ শতাংশ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রতি ব্যারেলের মূল্য হবে ১০৯ ডলার থেকে ১২১ ডলারের মধ্যে। এটির সঙ্গে ১৯৭৩ সালের আরবের ওপর তেল নিষেধাজ্ঞার তুলনা করা চলে। সে সময় বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ প্রতিদিন ৬ মিলিয়ন থেকে ৮ মিলিয়ন ব্যারেল কমানো হয়েছিল। এটি যদি হয় সম্ভাব্য পরিস্থিতি, তবে দাম প্রাথমিকভাবে ৫৬ শতাংশ থেকে থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গিয়ে ব্যারেলপ্রতি ১৪০ ডলার থেকে ১৫৭ ডলার হয়ে যেতে পারে।

সংকট ৭০ দশকের মতো ভয়ংকর হতে পারে

বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ এবং উন্নয়ন অর্থনীতির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ইনদারমিত গিল বলেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সর্বশেষ সংঘাত ১৯৭০-এর দশকের পর থেকে পণ্য বাজারের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা, যা কিনা ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধের সময় এসে হাজির হলো।’  করোনা মহামারীর পর বিশ্বঅর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবার সুযোগ পাওয়ার আগে এই যুদ্ধগুলো বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করছে, যার প্রভাব থেকে যেতে পারে অনেকদিন। গিল বলেন, নীতিনির্ধারকদের সতর্ক থাকতে হবে, কেননা যদি সংঘাত বাড়তে থাকে, বিশ্বঅর্থনীতি কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো দ্বৈত শক্তির ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্য, উভয় দিক থেকে বৈরিতার মধ্যে পড়বে। ‘যদি তেলের মূল্যে একটি গুরুতর ধাক্কা আসে, তবে এটি খাদ্য মূল্যস্ফীতিকে বাড়িয়ে দেবে যা ইতিমধ্যে অনেক উন্নয়নশীল দেশে দেখা যাচ্ছে’ বলেছেন বিশ্বব্যাংকের উপ-প্রধান অর্থনীতিবিদ এবং প্রসপেক্টস গ্রুপের পরিচালক আয়হান কোস। 

যুদ্ধ অপুষ্টি তৈরি করে

বছর দুই আগে ২০২২ সালের শেষে, ৭০ কোটিরও বেশি মানুষ বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় এক দশমাংশ অপুষ্টিতে ভুগছিলেন। সাম্প্রতিক সংঘাতের বৃদ্ধি শুধুমাত্র (মধ্যপ্রাচ্য) অঞ্চলের মধ্যেই নয়, সারা বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতাকে তীব্রতর করবে। বিশ্বব্যাংক বলছে এই সংঘর্ষটি এখন পর্যন্ত পণ্যের দামের ওপর সামান্য প্রভাব ফেলেছে। তার কারণ হলো দেশগুলো তেলের দামের প্রভাব সামলানোর ক্ষমতা উন্নত করেছে। আজ থেকে ৫৫ বছর আগে ১৯৭০-এর দশকের জ্বালানি সংকটের পর থেকে সারা বিশ্বের দেশগুলো এই ধরনের অভিঘাতের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করেছে। তারা তেলের ওপর তাদের নির্ভরতা কমিয়েছে ১৯৭০ সালে ১ ডলার পরিমাণ জিডিপি উৎপাদন করতে যে তেল লাগত, এখন তার অর্ধেক তেল হলেই চলে। দেশগুলো একাধিক স্থান থেকে তেল কেনে এবং নবায়নযোগ্য উৎস থেকে জ্বালানি উৎপাদন বাড়িয়ে দিয়েছে।

গাজা ও ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বলছে যেসব স্থানে সংঘর্ষ চলছে সেখানকার অর্থনীতি ইতিমধ্যেই ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বিশেষ করে গাজায়। এখানে বেসামরিক লোকজন ‘ভয়াবহ আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি, একটি মানবিক সংকট এবং অপর্যাপ্ত সাহায্য সরবরাহের মধ্যে বাস করছে।’ আইএমএফ অনুমান করছে যে, ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে গাজার জিডিপি ৮৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, আর পশ্চিম তীরের প্রথমার্ধে জিডিপি প্রায় ২৫ শতাংশ কমে গেছে। তবে এটি আরও খারাপ হতে পারে বলে মুদ্রা তহবিলের মুখপাত্র জুলি কোজাক আশঙ্কা করছেন। এদিকে, সংঘাত শুরু হওয়ার পর ২০২৩ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ইসরায়েলের জিডিপি প্রায় ২০% সংকুচিত হয়েছে এবং দেশটি ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে সামান্য কিছু পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে।

লেবানন

লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ জঙ্গি গোষ্ঠীর ওপর ইসরায়েলের বিমান হামলার কথা উল্লেখ করে কোজাক বলেন, ‘লেবাননে, সাম্প্রতিক সংঘাতের তীব্রতা দেশটির ইতিমধ্যেই নাজুক সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে। সংঘাত দেশটিতে একটি বড়সড় মানবিক ক্ষতি করেছে এবং সেখানকার ভৌত অবকাঠামোকে চরম ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’

যুদ্ধের আধিক্য ইসরায়েল সহ্য করতে পারবে না

ইউএস আর্মি ওয়ার কলেজের স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর অ্যান্থনি ফাফ বলেছেন, ইসরায়েল এখন একটি বিস্তৃত সংঘাতে গভীরভাবে নিমজ্জিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে কি না তা স্পষ্ট নয়। তিনি এটিকে ‘আধিক্যের ফাঁদ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ‘যদি ইসরায়েল আধিক্য/বাড়াবাড়ি দেখায়’, ফাফ বলছেন, ‘এটি ক্রমবর্ধমান আধিক্যের ফাঁদকে ইন্ধন জোগাবে যা কোনো সময়ে ইসরায়েলের সামরিক সামর্থ্যকে অতিক্রম করতে পারে।’ তিনি বলেন, ইসরায়েল যদি স্থিতাবস্থা বেছে নেয়, যেখানে হামাস সন্ত্রাসী অভিযান চালাতে সক্ষম, তবে ইসরায়েল তার নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি খুব বেশি করতে পারবে না। ফলে দেখা যাচ্ছে কোনো ফলাফলই ইসরায়েলের লক্ষ্য অর্জন করে না। বিষয়টি দাঁড়াল এই যে, ইসরায়েল যদি ক্রমবর্ধমান এবং স্থিতাবস্থার মধ্যে একটিকে বেছে নেয় তবে তা ইরান এবং হিজবুল্লাহ মিলে ইরানকেই প্রক্সি কৌশল দেবে। এ প্রসঙ্গে বলা যেতে পারে, বেশ কয়েক বছর আগে, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছিলেন, ‘গত ২০ বছর ধরে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে লড়াই করছে কিন্তু জিতছে না, এবং চীন জিতেছে কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে লড়াই করছে না।’ এটা জয়শঙ্করের কাছে সঠিক বলে মনে হচ্ছে।

লেখক: ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত