বেশি বয়সে বাবা হলে কি ঝুঁকি?

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২৪, ১০:০১ পিএম

সময় বদলেছে। কলেজ পাশ করতে করতেই ২১ বছর। স্নাতকোত্তর স্তরের পড়াশোনা শেষ করতে করতে বয়স ২৩ কি ২৪। তারপর কেউ যদি মনে করেন পিএইচডি করবেন, তাহলে আরও বছর পাঁচ কি ছয়ের ধাক্কা। তারপর চাকরি পেয়ে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে, সমাজের বুকে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করতেই করতেই বছর ৩২-৩৩।

এরপর দাম্পত্য জীবনের আনন্দ উপভোগ করে যতদিনে বাবা হওয়ার কথা ভাবছেন, ততদিনে বয়স প্রায় ৪০-এর কোঠায়। কিন্তু আপনি কি জানেন, বেশি বয়সে সন্তান ধারণ করতে গেলে যেমন নারীদের নানা সমস্যা হতে পারে, তেমনই কিন্তু বেশি বয়সে পিতৃত্বের স্বাদ নেওয়ার ক্ষেত্রে ছেলেদেরও কিছু ঝুঁকি থাকে।

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই কমতে থাকে পুরুষদের শুক্রাণুর সংখ্যা এবং মান। শুক্রাণুর গতিশীলতা হ্রাস, পরিমাণ হ্রাস, ডিএনএ ফ্র্যাগমেন্টেশন বৃদ্ধির মতো নানা সমস্যা দেখা যায়। এমনকি বয়স বাড়লে পিতা হওয়ার ক্ষেত্রে পুরুষদের মিউটেশন বা জিনগত নানা সমস্যা দেখা দেয়, যা পরবর্তীতে শিশুর শরীরে বাহিত হয়।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষদের প্রজনন কোষ বা শুক্রাণুতে ডি নোভা মিউটেশনের অস্তিত্ব বাড়তে থাকে। যা পরবর্তী প্রজন্মের শরীরেও সঞ্চারিত হতে পারে। ফলে সেই শিশুর নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে বেশি বয়সে বাবা হলে সন্তানদের মধ্যে জটিল মানসিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। বাইপোলার ডিজঅর্ডার বা অ্যাটেনশন হাইপারঅ্যাক্টিভিটির মতো নানা ডিজ অর্ডারের ঝুঁকিও বাড়ে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত