জীবিকা নির্বাহের অন্যতম মাধ্যম ব্যবসা। কোরআন-হাদিসের নীতিমালা অনুসরণ করে ব্যবসা করা ইবাদতও বটে। কেননা হাদিসে হালাল পন্থায় জীবিকা অন্বেষণ করা ফরজ করা হয়েছে। তাই হালাল পদ্ধতিতে ব্যবসা করাটাও ইবাদাতের একটি অংশ।
ব্যবসার ক্ষেত্রে সতর্কতা : প্রিয় নবী (সা.) ব্যবসায়ীদের অসাধু পন্থা অবলম্বন করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ব্যবসায়ীদের কেয়ামতের দিন পাপাচারী ও অপরাধী হিসেবে ওঠানো হবে। তবে যারা আল্লাহর ভয়ে সততা অবলম্বন করে তারা নয়। (তিরমিজি)
ব্যবসায়ীদের জন্য ক্ষমা : রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি অনুতপ্ত হয়ে কোনো মুসলিম ক্রেতা থেকে তার বিক্রিত মাল ফেরত গ্রহণ করবে, আল্লাহতায়ালা কিয়ামতের দিন তার ভুল-ভ্রান্তি ক্ষমা করে দেবেন। (আবু দাউদ)
সৎ ব্যবসায়ীদের একটি ভালো গুণ হলো, তারা ক্রেতাদের সহজ শর্ত দিয়ে পণ্য বিক্রি করে। ক্রেতাকে মানসম্মত পণ্য ক্রয় করতে সহযোগিতা করে। লেনদেন সহজ করে। যৌক্তিক কারণে কেউ পণ্য ফেরত দিতে চাইলে বিক্রিত
মাল ফেরত নেয়। একে-অন্যকে ঠকানোর ব্যাপারে মহান আল্লাহকে ভয় করে। এতে ব্যবসায় বরকত হয়। কারণ এ ধরনের ব্যবসায়ীর জন্য রাসুল (সা.) দোয়া করেছেন। রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি বিক্রয়কালে উদারচিত্ত, ক্রয়কালে উদারচিত্ত এবং পাওনা আদায়ের তাগাদাতেও উদারচিত্ত, আল্লাহ সেই বান্দার প্রতি দয়া করেন। (ইবনে মাজাহ)
