তাইজুলের আরেকটি ফাইফার, চট্টগ্রামে উইকেটের ফিফটি

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২৪, ১২:০৯ পিএম

ব্যাটসম্যানের টেকনিক যদি ভালো হয়, তাহলে জহুর আহমেদ চৌধুরী ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেটকেও রানের স্বর্গ বানানো যায়। চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিনটা দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা নিজেদের টেকনিকটা ভালোই কাজে লাগাতে পেরেছেন। তাই কাল দুটির বেশি উইকেট নিতে পারেনি বাংলাদেশ। দুটি উইকেটই নিয়েছিলেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। তবে দ্বিতীয় দিনে এসে সেই টেকনিক যেন অকার্যকর হয়ে পড়েছে। আজ প্রথম সেশনেই নেই তিন প্রোটিয়া ব্যাটার। সবাইকেই ফিরিয়েছেন তাইজুল।

কাইল ভেরেইনাকে ফিরিয়ে দিয়েই ক্যারিয়ারের ১৪তম পাঁচ উইকেট শিকারের কীর্তি গড়ে ফেললেন তিনি। এর আগে ঢাকা টেস্টে ফাইফার হয়েছিল এই বাঁহাতি স্পিনারের। সঙ্গে দ্বিতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ৫০ উইকেট নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। এখানে সর্বোচ্চ ৬৮ উইকেট সাকিব আল হাসানের।

দিনের শুরুতেই তিনি ফেরান বেডিংহামকে। জোরের ওপর করা তাইজুলের বলটি মিস করেছেন বেডিংহাম, হয়েছেন বোল্ড। ৫৯ রানেই থামেন এই ব্যাটসম্যান।

তারপর সুইপ–রিভার্স সুইপে ১৭৭ রানের ইনিংস খেলা ডি জর্জিও ফিরেন তাইজুলের শিকার হয়ে। সেটাও সুইপ করতে গিয়েই। তাইজুলের করা মিডল–লেগ স্টাম্প বরাবর করা বলটি প্যাডে লাগে এই ওপেনারের। আম্পায়ারও আবেদনে সাড়া দেন। ডি জর্জি রিভিউ নিয়েছিলেন। কাজে লাগেনি।

তারপর গত টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান কাইল ভেরেইনাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেছেন। তাতে আরও একবার ৫ উইকেটের স্বাদ পেলেন তাইজুল। সিরিজের প্রথম টেস্টে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন এই স্পিনার।

চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশন খেলা হয়েছে ২৯ ওভার। রান হয়েছে ১০৬। বাংলাদেশ উইকেট নিয়েছে ৩টি। দক্ষিণ আফ্রিকা ওভারপ্রতি রান তুলেছে ৩.৬৬ করে। এই সংখ্যাগুলো বিবেচনায় নিলে প্রথম সেশনটা দুই দলেরই। তবে এরসঙ্গে প্রথম দিনে করা দক্ষিণ আফ্রিকার ৩০৭ রান যোগ করলে এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম টেস্টে প্রোটিয়াদেরই এগিয়ে রাখতে হবে। এরইমধ্যে যে ৫ উইকেটে ৪১৩ রান স্কোরবোর্ডে তুলে ফেলেছে তারা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত