আশুলিয়ার জিরানী বাজার এলাকায় মুরাদ হোসেন (২৫) নামে এক পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে আশুলিয়ার জিরানী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত পুলিশ সদস্য মুরাদ হোসেন আশুলিয়ার কলতাসূতি রত্নাসীট এলাকার আলকাস হোসেনের ছেলে। তিনি মীরপুর ১৪ এলাকার এপিবিএন সংযুক্ত ক্যাম্পে কর্মরত রয়েছেন।
আহত পুলিশ সদস্যের বাবা আলকাস হোসেন জানান, ১০ দিনের ছুটিতে তার ছেলে পুলিশ সদস্য মুরাদ বাড়িতে আসে। রবিবার দুপুরে বাসা থেকে বের হয়ে স্ত্রীর জন্য ডাক্তারি সার্টিফিকেট আনতে মোটরসাইকেলযোগে জিরানী বাজারে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে যান।
পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ সময় সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা আশুলিয়ার কলতাসূতি এলাকার শওকত হোসেনের ছেলে ওসমান গনি সাগর (২৮), মৃত আজিজ বেপারীর ছেলে আমান উল্লাহ (৪৫) , শামসুল হকের ছেলে আওলাদ হোসেন (৩২), মৃত সাত্তার বেপারীর ছেলে শওকত হোসেন (৫৪), আব্দুল হালিম বেপারীর ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩০), শামসুল হকের ছেলে সুমন (২০), মৃত জব্বার বেপারীর ছেলে ইব্রাহিম (৩৫), মৃত আজিজ বেপারীর ছেলে হালিম বেপারী (৫৮), সাত্তার বেপারীর ছেলে পলাশ (৪৮) এবং পলাশের ছেলে রাকিবসহ (২০) অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জন তাকে লোহার রড, হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়।
এ সময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা চলে যায়। পরে গুরুতর আহত মুরাদ হোসেনকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক জানান, মারধরের বিষয়টি স্থানীয় নেতাদের কাছ থেকে শুনেছি। তবে এ ঘটনায় এখনো লিখিত কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শীতকালে ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে