জনগণের ইচ্ছায় খুব দ্রুত নির্বাচন হবে : ফখরুল

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৬:২৭ এএম

শিগগিরই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘আমরা সব সময় আশাবাদী। ইতিমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, আমরা সহযোগিতা করছি। আমরা আশা করি, খুব দ্রুত জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা হবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করার সুযোগ পাবেন।’

গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এই দিনে ১৯৭১ সালে বিজয়ের পূর্ব মুহূর্তে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বাংলাদেশের প্রথিতযশা সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, অধ্যাপক, বৈজ্ঞানিক ও সুশীল সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। ১৯৭১ সালে আমরা জাতির বরেণ্য ব্যক্তিদের হারিয়েছি। আমরা জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আজ সবাই মিলে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মাগফিরাত কামনা করছি।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকের এই দিনে আমরা শপথ গ্রহণ করেছি, বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে যে কারণে যুদ্ধ করেছিল একটা স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য। এটি হয়েছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধ ঘোষণার মধ্য দিয়ে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে দেশ গড়ার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগের সম্পূর্ণ সৎ ব্যবহার করে আমরা বাংলাদেশকে একটি সত্যিকার অর্থেই গণতান্ত্রিক, আধুনিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’

এ সময় দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘সংস্কার নিয়ে রাজনীতিবিদদের উদ্দেশে অন্তর্বর্তী সরকারের একজন উপদেষ্টা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বিরাজনীতিকরণের একটি প্রয়াস। পৃথিবীতে যত সংস্কার হয়েছে তা রাজনীতিবিদরা করেছেন। সব সংস্কার হয়েছে পার্লামেন্টে। ব্রিটেন বলেন বা আমেরিকা, সারা দুনিয়ায় যত সংস্কার হয়েছে তা হয়েছে রাজনীতিবিদদের মাধ্যমে। সংস্কার নিয়ে বাড়াবাড়ি এবং রাজনীতিবিদদের দোষারোপ করার অর্থ ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞতা।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মীর সরফত আলী সপু, ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত