‘দুর্যোগ মোকাবিলা নির্ভর করছে আমাদের ওপর’

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ১২:৫৪ এএম

দুর্যোগ মোকাবিলা করার প্রস্তুতি ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে অনেক ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এ জন্য গণসচেতনতা যেমন দরকার। একই সঙ্গে টেকসই দুর্যোগ মোকাবিলা অনেকটাই নির্ভর করছে আমাদের কর্মকাণ্ড ও প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানের ওপর কতটা জোর দিচ্ছি বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালী হোটেল অবকাশে দুর্যোগকালীন সময়ে জেন্ডার সংবেদনশীল রিপোর্টিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব তথ্য জানান।

এনজিও লাইট হাউসের নির্বাহী প্রধান মো. হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান। বিশেষ অতিথি ও ফ্যাসিলিটেটর হিসেবে বক্তব্য রাখেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক (গবেষণা ও প্রশিক্ষণ) ও যুগ্ম সচিব নাহিদা সুলতানা মল্লিক, উপসচিব সানজিদা ইয়াসমিন, কমিউনিকেশন ও মিডিয়া স্পেশালিস্ট সৈয়দ আশরাফ উল ইসলাম, প্রকল্প ব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলাম।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, সময় উপযোগী পদক্ষেপ সঠিক ও সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা ও পর্যাপ্ত পরিমাণ উদ্ধার সামগ্রী, প্রচুর পরিমাণ প্রশিক্ষিত জনবল হতে পারে ক্ষয়-ক্ষতি কমানোর ও জানমাল রক্ষার উপায়। এ জন্য প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক (গবেষণা ও প্রশিক্ষণ) ও যুগ্ম সচিব নাহিদা সুলতানা মল্লিক বলেন, দেশের কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় প্রায়ই বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় সুপরিকল্পনার মাধ্যমে জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় আশ্রয়কেন্দ্র, আরও বেশি সবুজ বেষ্টনী তৈরি করা যেতে পারে এবং দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতাকে আরও টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব সানজিদা ইয়াছমিন বলেন, বলেন, বন্যা ও জলাবদ্ধতার যে কারণগুলো মানুষের সৃষ্টি, তার সমাধানে সরকারের ধারাবাহিক পদক্ষেপ দরকার। বন্যা নিয়ন্ত্রণে নদী, খাল, বিল, হাওর, ও অন্য জলাভূমি দখলমুক্ত করা ছাড়া গত্যন্তর নেই। শহরের আশপাশে জলাভূমি ভরাট করে পানিপ্রবাহের স্বাভাবিক পথ রোধ করে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীসহ অনেক জেলা শহরে বন্যা  নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত