শিশুকে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া জরুরি

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০২:২১ এএম

প্রয়োজনীয় দ্বীনি জ্ঞান শিক্ষা করা ফরজ। এই দ্বীনি জ্ঞানের পরিসীমা কতটুকু? যতটুকু শিক্ষা করলে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের ওপর অর্পিত ইসলামের যাবতীয় বিধানাবলি পালন করা সম্ভব হয়। আমরা একটি মুসলিম প্রধান দেশে বসবাস করি। তবুও এখন আমাদের দেশের শহুরে পরিবেশে অনেক মুসলমানের সন্তান প্রয়োজনীয় দ্বীনি জ্ঞান শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যা দেশ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য সুখকর নয়। এটা তাদের এক সময় ধর্মহীনতার দিকে নিয়ে যাবে। তাই তাদের শিশুকাল থেকেই ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে। তাদের ধর্মীয় জ্ঞানের ভিত মজবুত করতে হবে।

শিশুরা হলো অনুকরণপ্রিয়। তাদের সামনে যদি কোনো কাজ করা হয় তাহলে তারা সেই কাজটিই করতে আগ্রহী হয়। শিশুর প্রথম বিদ্যালয় তার পরিবার। তাই পরিবারেও ধর্মীয় শিক্ষার আবহ তৈরি করতে হবে। পরিবারের প্রভাব তার ওপর আজীবন থাকে। প্রখ্যাত মনোবিজ্ঞানী এরিক এরিকসন বলেন, ‘একটি শিশুর পৃথিবীকে চেনার প্রধান মাধ্যম হলো তার মা, বাবা ও পরিবার। এই সময়টিতে শিশু তার মা-বাবাকে অনুসরণ করার চেষ্টা করে। পরিবার তাকে প্রভাবিত করে। তাদের চালচলন, কথাবার্তা, ভিন্নতা ও সাদৃশ্যের মাপকাঠিতে সে চেষ্টা করে পৃথিবীকে জানার। বিভিন্ন সামাজিক ও মানসিক সংঘাতকে সে কীভাবে মোকাবিলা করবে তার প্রস্তুতি শুরু হয় ওই বয়স থেকেই।’

আমাদের শিশুদের জন্য দ্বীনের পথ স্বচ্ছ রাখতে আমাদেরও ধর্মীয় জ্ঞানে জ্ঞানী হতে হবে। তবেই সন্তানরা আমাদের দেখানো পথ অনুসরণ করে দ্বীনের শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবে। অনেক সময় দেখা যায়, আমরা নামাজ পড়ছি ঠিকই। না হচ্ছে রুকু, না হচ্ছে সেজদা। আর তেলাওয়াতের কথা তো বাদই দিলাম। মহান আল্লাহ সুরা মাউনে বলেন, ‘কিছু নামাজি ক্ষতিগ্রস্ত, যারা নামাজ পড়ে ঠিকই কিন্তু জানে না, কী পড়ছে। তারা লোক দেখানোর জন্য তা করে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত