চট্টগ্রামের চন্দনাইশে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ ‘ক্রস ফিলিং’ (এক সিলিন্ডার থেকে আরেকটাতে গ্যাস ভরা) এর গুদামে অভিযান পরিচালনা করেছেন সেনাবাহিনী। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার ফুলতলা সাঙ্গু কনভেনশন হলের বিপরীতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পশ্চিমে পাশে এ অভিযান পরিচালনা চালানো হয়।
চন্দনাইশ ক্যাম্পে কর্মরত মেজর ফজলে রাব্বির নেতৃত্বে এ অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। এরপর উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলে উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডিপ্লোমেসি চাকমা ঘটনাস্থলে গিয়ে ১ হাজার ৬৭২টি খালি গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করেন। এছাড়াও অবৈধভাবে গ্যাস আনা-নেওয়া কাজে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান জব্দ করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্স ছাড়া অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে সিলিন্ডারে গ্যাস ক্রস ফিলিং করছেন মেসার্স নুসরাত এন্টারপ্রাইজের মালিক। এর আগেও লাইসেন্স ছাড়া অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে সিলিন্ডারে গ্যাস ক্রস ফিলিং করার কারণে একই প্রতিষ্ঠানের মালিককে ২০২২ সালে উপজেলা ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করেন।
উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডিপ্লোমেসি চাকমা বলেন, ‘অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে সিলিন্ডারে গ্যাস ক্রস ফিলিং করে লাইসেন্সপ্রাপ্ত বিভিন্ন কোম্পানির নকল স্টিকার ব্যবহার করে সিলিন্ডারগুলো বাজারজাত করার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে আটক করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। পরবর্তীকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতে পরিচালনা করা হয়। এসময় বড় বোতল থেকে ছোট বোতলে গ্যাস ক্রস ফিলিং করার সত্যতা পাওয়া গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি। ১ হাজার ৬৭২টি খালি গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চন্দনাইশ উপজেলার প্রতিনিধি হাসনাত আবদুল্লাহর জিম্মায় রাখা হয়। আনা-নেওয়া কাজে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান জব্দ করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীকালে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অভিযানে সেনাবাহিনীর সদস্য, চন্দনাইশ থানার একদল পুলিশ, ভূমি অফিসের কর্মচারীরা সহযোগিতা করেন।
জবিতে ভর্তি পরীক্ষা দিলেন চল্লিশোর্ধ তপু