দলগুলোর সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলবে কমিশন

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৭:১৬ এএম

সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে  রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

গতকাল শনিবার কমিশনের প্রথম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ও সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো মনে করে, জাতীয় ঐক্য রক্ষার আর কোনো বিকল্প নেই এবং সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তাদের দৃঢ়চিত্ততা প্রকাশ করেছেন। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এবং অন্তর্র্বর্তী সরকারের এই সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবেন, সাহায্য করবেন, অংশগ্রহণ করবেন।’

আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমরা আলাদা আলাদাভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কথা বলব, আমরা জোটগতভাবে কথা বলব এবং সম্ভাব্য লক্ষ্য, সবাইকে একত্র করে আবার আমরা ফিরে আসব। আমরা দীর্ঘসূত্রতা চাই না।’

 বৈঠকে আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার জন্য রাজনৈতিক দলগুলো আমাদের কাছে অনুরোধ করেছে, সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনগুলো যেন তাদের কাছে হার্ডকপি হিসেবে পৌঁছে দেওয়া হয়। আমরা  সেগুলো পৌঁছে দেওয়ার জন্য খুব দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

সংলাপে কত দিন সময় লাগতে পারে জানতে চাইলে আলী রীয়াজ বলেন, ‘এই কমিশনের মেয়াদ দেওয়া হয়েছে ছয় মাস। সে ক্ষেত্রে কমিশনের লক্ষ্য হচ্ছে, যত দ্রুত সম্ভব আমরা ঐকমত্যে পৌঁছাতে চাই। যেহেতু ছয়টি কমিশনের প্রতিবেদন এবং আমরা এই প্রতিবেদনগুলোর সারাংশ ইতিমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে দিয়েছি, তারা পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনগুলো এক অর্থে দেখেছেন। কিন্তু পর্যালোচনা করার জন্য কিছু সময় তাদের দিতে হবে।’

‘আমরা চাই, অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে... কেননা এই সংস্কার কর্মসূচিগুলো অগ্রসর হওয়া দরকার এবং ঐকমত্যটা প্রতিষ্ঠিত হওয়া দরকার, যাতে করে আমরা নির্বাচনের পথে অগ্রসর হতে পারি’ যোগ করেন তিনি।

এটি ছয় মাসের মধ্যেই হবে কি না জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ‘আমরা আশা করছি, ছয় মাসের চেয়ে যদি কম সময়ে সম্ভব হয়...রাজনৈতিক দলগুলোর আগ্রহ আছে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনও মনে করে যত দ্রুততার সঙ্গে সম্ভব...কিন্তু এটা তো অকস্মাৎ হবে না!’

‘সংস্কার কমিশনগুলোর পক্ষ থেকে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলো নিঃসন্দেহে সেগুলো পর্যালোচনা করবে, তাদের যথেষ্ট পরিমাণ সময়ও দিতে হবে পড়ার জন্য, পর্যালোচনা করার জন্য। ফলে কিছুটা সময় লাগবে এই প্রক্রিয়াটা অগ্রসর হওয়ার জন্য। ‘মূল লক্ষ্যটা হচ্ছে যতটা বাস্তবে সম্ভব দ্রুততার সঙ্গে এই সংলাপ-আলোচনাগুলো শুরু করা’ বলেন তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত