বারবার সুযোগ পেয়েও গোল করতে না পারায় ম্যাচটা ফসকে গেছে বাংলাদেশের হাত থেকে। ফিনিশারদের ব্যর্থতায় সু্যোগগুলো গোলে রূপ নেয়নি। মাঠে বাংলাদেশের ফুটবলারদের শরীরী ভাষা ও গোলের জন্য মরিয়া হয়ে থাকাই বলে দিচ্ছিলো ভারতকে হারাতেই মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ।
এই ম্যাচে বাংলাদেশের বড় নাম ছিলেন হামজা চৌধুরী। একাদশে পজিশন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হলেও আজ খেলেছেন গোটা মাঠ জুড়ে। তাকে ভারতীয় ফুটবলাররা পাহাড়া দিলেও শুরু থেকেই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিলেন। তবে ডিফেন্ডার তপু বর্মণের ইনজুরির কারণে মাঠ ছেড়ে যাওয়ার পর খেলার বাকি অংশ তাকে সামলাতে হয় ডিফন্সও।
তারপরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়।
তবে ম্যাচটা জেতা উচিৎ ছিল বলে মনে করেন হামজা চৌধুরী। এই ম্যাচটা আমাদের জেতা উচিৎ ছিল কি না এমন প্রশ্নের জবাবে খেলা শেষে মিক্সড জোনে হামজা সাংবাদিকদের বলেন, 'অবশ্যই। (ড্র) ম্যাচ নিয়ে আমরা খুশি, হতাশ হইনি। প্রথমার্ধে আমাদের দারুণ কিছু সুযোগ ছিল। এমন সুযোগের জন্য আমরা পরিশ্রম করেছি। আমি নিশ্চিত পরবর্তীতে আমরা স্কোর করবো।'
লেস্টার সিটির হয়ে এফএ কাপের শিরোপা জেতা হামজা আজ প্রথমবারের মতো জড়িয়েছিলেন লাল সবুজের জার্সি। অনুভূতি কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'এটা অবশ্যই গর্বের একটা মুহুর্ত। আমার পরিবারের জন্যও গর্বের।'
জাতীয় সঙ্গীতের সময় কেমন লেগেছে এমন প্রশ্নের উত্তরে হামজা বলেন, 'জাতীয় সঙ্গীত আমার শরীরে শিহরণ জাগিয়েছে।' সবশেষ হামজা দেশের ফুটবল ভক্তদের কাছে সমর্থন বজায় রাখতে বলেন।
সুযোগ নষ্টের ম্যাচে ড্র করল বাংলাদেশ
পিএসএলে খেলার অনুমতি পাচ্ছেন তিন বাংলাদেশি ক্রিকেটার