এই ম্যাচটি জিতলেই সিরিজ নিশ্চিত হয়ে যেতো বাংলাদেশের। কিন্তু পঞ্চম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ২৭ রানে হারিয়ে সিরিজ বাঁচিয়ে রাখলো শ্রীলঙ্কা। দুই দেশের অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলের মধ্যকার ৬ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজটি এখন ৩-২ ব্যবধানে ঝুলে রইলো। সিরিজের শেষ ম্যাচে বৃহস্পতিবার মুখোমুখি হবে দুই দল।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে এদিন টস ভাগ্য পাশে পান স্বাগতিক অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক ভিমাথ দিনসারা। একাদশে অভিষেক হয় তিন নতুন মুখের। লঙ্কানদের অভিষিক্ত কিপার ব্যাটার আধাম হিলমি খেলেন সর্বোচ্চ ৫১ রানের ইনিংস। অধিনায়ক ভিমথের ব্যাট থেকে আসে ৪২ রান। বাংলাদেশের ইন-ফর্ম বোলার আল ফাহাদের জায়গা অভিষেক হয় সাদ ইসলামের। দুই উইকেট শিকার করে নিজের পরিচয়ও জানান দেন সাদ। এছাড়া দুটি করে উইকেট নেন রিজন হোসেন ও ফারহান শাহরিয়ার। সামিউন বাশির রাতুল শিকার ধরেন সর্বোচ্চ ৩টি। তাতে ৪২.৩ ওভারে ১৯৬ রানে গুটিয়ে যায় লঙ্কানদের ইনিংস।
জবাবে এই ম্যাচে জ্বলে উঠতে পারেননি জাওয়াদ-তামিমরা। পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার আগেই মাত্র ১৭ রানের ভেতর সাজঘরে ফেরেন প্রথম তিন ব্যাটসম্যান। আগের ম্যাচের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক রিজনও থামেন দলের ৫১ রানে। এ ম্যাচেও ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ হয়েছেন কালাম সিদ্দিকী আলিন, করেছেন মাত্র ১ রান। জাওয়াদ ৭, তামিম ৪ ও রিজন ২৫ রান করেন।
১০৫ রানে ৬ উইকেট হারানো বাংলাদেশের হাল টানছিলেন সামিউন বাশির রাতুল। ফরিদ হাসানকে নিয়ে সপ্তম উইকেটে জুটি গড়েন ৫১ রানের। ২৬ বলে ৩৭ রান করে তিনি ফেলেন বোল্ড হয়ে। এছাড়া মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ৩২, দেবাশিষ দেবা ২৪ রান করেন। রাতুল ফেরার পর ১ রান তুলতেই আরও দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। কিন্তু ওভারের শেষ বলে দ্রুত রান নিতে গিয়ে শেষ উইকেট হিসেবে রান আউট হয়ে সাদ ফিরলে ১৬৯ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। ফরিদ অপরাজিত থাকেন ৩০ রানে। লঙ্কানদের হয়ে তিনটি করে উইকেট শিকার করেন ভিরান চামুদিথা ও কুগাথাস মাথুলান।
জুনে গল ও কলম্বোতে দুই টেস্ট বাংলাদেশের, জুলাইয়ে ৬ ওয়ানডে-টি ২০
আইসিসির মাসসেরার তালিকায় মিরাজ