ইনজুরির সঙ্গে লড়াই শেষে মাঠে ফেরার প্রক্রিয়া হিসেবে থেকে ফেরার পথে নেট বোলিং শুরু করেছেন বাংলাদেশের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ। কবে নাগাদ মাঠে ফিরবেন তার পরিস্কার ধারণা পাওয়া না গেলেও আগামী মাসে শ্রীলঙ্কায় পূর্ণ সিরিজের সফরে দলে ফেরার ব্যাপারে আশাবাদী তিনি। ৩০ বছর বয়সী এই ডানহাতি পেসার শেষবার দেশের হয়ে খেলেছেন ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে হওয়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে। এরপর থেকেই অ্যাকিলিস ইনজুরির পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় রয়েছেন তিনি। সম্প্রতি লন্ডনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ শেষে দেশে ফিরে নেটে হালকা বোলিং শুরু করেছেন তাসকিন। একই সঙ্গে শন টেইটকে কোচ হিসেবে পেয়ে উচ্ছ্বসিতও তিনি।
ইনজুরির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তাসকিন বলেন, ‘এটা এখনো পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার অংশ। বিসিবির ফিজিও এবং ট্রেইনার, সঙ্গে যুক্তরাজ্যের একজন বিশেষজ্ঞ মিলে একটি রিহ্যাব পরিকল্পনা ঠিক করেছেন। এখন পর্যন্ত পাঁচটি সেশন হয়েছে, হালকা বোলিংও শুরু করেছি। এখনই কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বলা কঠিন, তবে লক্ষ্য শ্রীলঙ্কা সিরিজেই ফেরার।’ বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা সফর শুরু হবে ১৭ জুন। সফরে গল এবং কলম্বোতে দুটি টেস্ট ম্যাচ রয়েছে। এরপর জুলাই মাসে ছয়টি সাদা বলের ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। তাসকিন আরও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনো জটিলতা হয়নি, যদি সবকিছু ঠিকঠাক চলে তবে আমি শ্রীলঙ্কা সিরিজে ফেরার ব্যাপারে আশাবাদী। কোনো ইনজু্রি হলে নির্দিষ্ট করে তারিখ বলা কঠিন। কারণ, যখন পুনর্বাসন যায় কিছু সময় উপরে-নিচে যায় তো প্রোগ্রাম অনুযায়ী যখন যাব সব ঠিকঠাক গেলে শ্রীলঙ্কা সিরিজ থেকে খেলতে আশাবাদী। আল্লাহ না করুক কোনো সমস্যা হলে তখন হয়তো ম্যানেজমেন্ট থেকে একটা সিদ্ধান্ত নেবে কি করা যায়। আশা করছি কোনো সমস্যা হবে না। যেহেতু এখান থেকে ভালো সুখবর দিয়েছিল যে সার্জারি ছাড়া পুনর্বাসনে সুস্থ হয়ে যাওয়া সম্ভব।’
এদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সম্প্রতি সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ফাস্ট বোলার শন টেইটকে জাতীয় দলের নতুন ফাস্ট বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপজয়ী এই পেসার নভেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন। তিনি অ্যান্ড্রে অ্যাডামসের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। টেইটের অভিজ্ঞতা নিয়ে তাসকিন বলেন, ‘তিনি অসাধারণ একজন ফাস্ট বোলার ছিলেন। আধুনিক যুগে অনেক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন এবং বড় টুর্নামেন্টের অভিজ্ঞতা আছে। আশা করি তার অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে আসবে। জাতীয় দলে একজন কোচ ট্যাকটিক্স এবং কিছু টেকনিক্যাল দিক নিয়ে সাহায্য করতে পারেন, কিন্তু বোলারদের নিজেদেরও শিখতে হয়। তবে শন টেইটের মতো বড় ব্যক্তিত্ব পাশে থাকলে জিনিসগুলো সহজ হয়ে যায়।’
তাসকিনের এই প্রত্যাবর্তনের আশাবাদ এবং নতুন কোচের আগমন আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশের পেস আক্রমণে নতুন মাত্রা যোগ করবে সে আশা করেই যায়।
আসছেন ফাহমিদুলও
নেপাল বাধা পেড়িয়ে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ