নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে গতকাল শনিবার বিকেলে ৩৯ যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ডাক বিভাগের এক কর্মীর মরদেহ ও ৩৩ যাত্রীকে উদ্ধার করা হলেও এক পুলিশ সদস্যসহ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ছয়জন।
স্থানীয়রা জানান, হাতিয়ার ভাষাণচর থেকে হরণি ইউনিয়নের করিম বাজার ঘাটের উদ্দেশ্যে শনিবার ২টায় একটি ট্রলার ৩৯ যাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করেন। বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ট্রলারটি করিম বাজার ঘাট থেকে এক কিলোমিটার দূরে পৌঁছালে মেঘনার উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা অসুস্থ রোহিঙ্গা নাগরিক, তিন পুলিশ সদস্য, এনজিও প্রতিনিধিসহ ৩৯ জনের মধ্যে এ পর্যন্ত ৩৩ জনকে উদ্ধার করা গেলেও ছয়জন এখনো নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার হলেও তার নাম জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কোস্ট গার্ড সদস্য এসআই বাতেন জানান, খবর পেয়ে কোস্ট গার্ড নৌ পুলিশ ও স্থানীয় জেলেরা ঘটনাস্থলে উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে। নিখোঁজ পুলিশ সদস্যের নাম সাইফুল ইসলাম। মৃত একজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ডাক বিভাগের লোক বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে। তবে তার নাম জানা যায়নি।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘নিখোঁজ পুলিশ সদ্যসের ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছি। উদ্ধার কার্যক্রমের ব্যাপারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ভালো বলতে পারবে।’
স্থানীয়রা জানান, বৈরী আবহাওয়ায় নদী উত্তাল থাকায় এবং রাত হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে।
