মার্জিন ঋণ বিধিমালার খসড়া অনুমোদন

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:০১ এএম

দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষায় ১৯৯৯ সালের মার্জিন ঋণের বিধিমালা রহিত করে ‘মার্জিন বিধিমালা ২০২৫’ নামের নুতন বিধিমালা তৈরি করেছে কমিশন। তবে নতুন বিধিমালা খসড়া পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। খসড়া বিধিমালাদ্বয় জনমত যাচাইয়ের জন্য কমিশনের ওয়েবসাইট ও পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে।

গতকাল মঙ্গলবার বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে ৯৬৭তম কমিশন সভায় মার্জিন ঋণসংক্রান্ত বিধিমালার খসড়া অনুমোদন দিয়েছে। একই সভায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) শেয়ার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) তালিকাভুক্তির আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে। সে জন্য ব্যাখ্যাও দিয়েছে কমিশন।

এদিকে পুঁজিবাজারে মার্জিন ঋণের নতুন বিধিমালা নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। যার প্রভাব লেনদেনেও লক্ষ্য করা গেছে। বাজারে ছড়িয়েছে যে, মার্জিন ঋণের নতুন নীতিমালা হয়েছে। সেখানে একটি কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফার (ইপিএস) পাশাপাশি শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) বিবেচনায় নিয়ে ঋণের হার নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, তারা মার্জিন ঋণের নতুন নীতিমালা তৈরি করেনি। আর ইপিএস ও এনএভির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মার্জিন ঋণের হার নির্ধারণ করার মতো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

বিধিমালার বিষয়ে বিএসইসি জানিয়েছে, কমিশন সভায় (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫-এর খসড়া অনুমোদনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ ছাড়া, মার্জিন রুলস ১৯৯৯ রহিত করার জন্য মার্জিন (রিপেল) রুলস ২০২৫-এর খসড়াও সভায় অনুমোদনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। মার্জিন ঋণ অর্থায়নকারী হিসেবে স্টক ব্রোকার এবং মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার উভয়ের জন্যই খসড়া ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫’ প্রযোজ্য হবে মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। খসড়া ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫’ শুধু ইক্যুইটি সিকিউরিটিতে মার্জিন অর্থায়নের জন্য প্রযোজ্য হবে মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। খসড়া বিধিমালা জনমত যাচাইয়ের জন্য কমিশনের ওয়েবসাইট ও পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে।

সিএসইর আবেদন বাতিল : কমিশন জানিয়েছে, সিএসই তাদের ৩৫ শতাংশ ব্লকড শেয়ার ডিএসইতে তালিকাভুক্ত করার অনুমোদন চেয়ে করা আবেদনটি নামঞ্জুর করা হয়েছে। এর ব্যাখ্যায় বিএসইসি বলেছে, সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি ব্যতীত অন্য কোনো কোম্পানির শেয়ার স্টক এক্সচেঞ্জে সরাসরি তালিকাভুক্তিতে নিষেধাজ্ঞা থাকা; ২০ শতাংশ প্রাইভেট প্লেসমেন্ট ও ১৫ শতাংশ পাবলিক প্লেসমেন্টের মাধ্যমে অফলোড বা তালিকাভুক্তের বিষয়টি ‘এক্সচেঞ্জেস ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন আইন, ২০১৩’ এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়া; আবেদনকারীর মূল ব্যবসা হতে পরিচালন মুনাফা না থাকা; আবেদনের সহিত ইনফরমেশন ডকুমেন্ট বা প্রসপেক্টাস সংযুক্ত না করা এবং পরিচালনা পর্ষদ সভা এবং শেয়ারহোল্ডারদের সাধারণ সভার সিদ্ধান্তের কপি সংযুক্ত না করার কারণে আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত