ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট প্রচারণামূলক বিলবোর্ড-ব্যানার সরিয়ে ফেলার নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল শুক্রবার ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যেসব প্রচারণামূলক বিলবোর্ড-ব্যানার টানানো রয়েছে কিংবা ইতিমধ্যে টানানো হয়েছে, সেগুলো অবিলম্বে সরিয়ে ফেলতে হবে। প্রচারণা শুরুর নির্ধারিত দিন থেকে আচরণবিধি অনুযায়ী প্রচার কাজ চালানো যাবে।
পৃথক আরেক বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন কমিশন জানায়, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত কেউ হল কিংবা ক্যাম্পাসে প্রচারণা চালাতে পারবেন না। ২৬ আগস্ট থেকে প্রার্থীরা প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। উল্লিখিত সময়ের মধ্যে প্রচারণা চালালে এটি ডাকসু নির্বাচন-২০২৫-এর আচরণবিধি ভঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
হলে হলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রার্থীদের কুশল বিনিময় : ডাকসু নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা হলে হলে শিক্ষার্থীদের কাছে যাওয়া শুরু করেছেন। গতকাল শুক্রবার প্রার্থীরা বিভিন্ন হলে জুমার নামাজ পড়েন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। ২৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রচার-প্রচারণা নিষিদ্ধ থাকলেও কুশল বিনিময়ে বাধা নেই বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে নামাজ আদায় করেন ছাত্রদল মনোনীত প্রার্থীরা। বিজয় একাত্তর হলে জুমার নামাজ আদায় করেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম ও জিএস প্রার্থী এসএম ফরহাদ। তাছাড়া এই হলে স্বতন্ত্র এজিএস প্রার্থী তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী, সরদার নাদিম মাহমুদ শুভসহ একাধিক পদপ্রত্যাশী নামাজ আদায় করেন। এরপর তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে নামাজ আদায় করেন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) প্যানেলের জিএস প্রার্থী আবু বাকের মজুমদারসহ অনেকে। মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে নামাজ আদায় করেন স্বতন্ত্র জিএস প্রার্থী মাহিন সরকার। প্রার্থীরা সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ ছাড়া একাধিক স্বতন্ত্র ও রাজনৈতিক প্যানেলের প্রার্থীরা নামাজ পড়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
