ঐতিহ্য রক্ষা করবে জয়ীরা

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৭:৩৪ এএম

আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন। নির্বাচন চক্ষু মেলিয়া দেখছি। পুরোটা দেখা যাচ্ছে না। ফল কী হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ ভালোই রয়েছে। কোনো বিশৃঙ্খলা, হইচই দেখছি না। গন্ডগোল নেই। অন্যান্য সময়ে কিছুটা হট্টগোল থাকলেও এবার তেমনটা নেই। ইতিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পেরেছে বলে মনে হচ্ছে। তবে ডিজিটাল এ সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রার্থীসহ অন্যরা সোচ্চার রয়েছেন। তারা প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। সব মিলিয়ে শান্ত রয়েছে পরিবেশ। আশা করি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। ভোটাররা যাকে চান, সেই নেতা নির্বাচিত হবেন।

ডাকসু নির্বাচনে যারা জিতে আসবে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঐতিহ্য ধরে রাখবেন। ’২৪-এ ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনমনে যে আকাক্সক্ষা তৈরি হয়েছে তার জন্য ডাকসুর নবনির্বাচিত নেতারা সংগ্রাম করবেন, লড়াই করবেন। এ প্রত্যাশা আমার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলে পরিচিত। ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনীতি আগামীতে নতুন বাংলাদেশ গড়ার রাজনীতিতে পরিণত হবে বলে আশা করি। বৈষম্যহীন রাজনীতিতে দেশ প্রবেশ করবে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে নতুন পথচলা শুরু হোক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সারা দেশে আলো ছড়াবে। সে আলোয় সারা দেশ আলোকিত হবে।

নতুন নেতৃত্বের কাছে প্রত্যাশা থাকবে তারা ক্যাম্পাসে অতীতের রাজনীতি ফিরিয়ে আনবেন না। শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখবেন। হলে হলে টর্চার সেল থাকবে না। সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনের পথ প্রশস্ত করবে। আমরা আর পেছনে ফিরে যেতে চাই না। এখন হবে শুধু সামনের পথচলা। নতুনভাবে পথচলা। এই পথচলা অনুসরণ করবে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সারা দেশের সব প্রতিষ্ঠান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত