বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গতকাল সকাল থেকে দুদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য পুনরায় শুরু হয়েছে। ফলে দুদেশের বন্দর এলাকায় ফিরে এসেছে কর্মচাঞ্চল্য। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল কাস্টম হাউজের কার্গো রেভিনিউ অফিসার আবু তাহের। তবে দুদেশের বন্দর এলাকায় কয়েক হাজার পণ্যবোঝাই ট্রাক আটকে আছে।
ভারতের পেট্রাপোল বন্দর ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, ‘শারদীয় দুর্গাপূজায় ২৮ সেপ্টেম্বর (রবিবার) থেকে ০২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত পেট্রাপোল-বেনাপোল বন্দর দিয়ে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। টানা ছুটি শেষে গতকাল শনিবার সকাল থেকে দুদেশের মধ্যে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হয়েছে। কর্মচঞ্চল্যতা ফিরে এসেছে দুদেশের বন্দর এলাকায়।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা বলেন, পূজার ছুটি শেষে গতকাল শনিবার সকাল থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য পুনরায় চালু হয়েছে। আমাদের সদস্যরা বন্দর থেকে মালামাল ডেলিভারি করছে। তবে বন্দর এলাকায় যানজট দেখা দিয়েছে।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ৬ দিন বন্ধের পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য শুরু : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ৬ দিন বন্ধের পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হয়েছে। এতে করে বন্দর এলাকায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরতে শুরু করেছে। তবে ছুটির আমেজ কাটিয়ে পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও দু-একদিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
গতকাল শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ভারত থেকে আমদানিকৃত কাঁচামরিচ বোঝাই একটি ট্রাক প্রবেশের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হয়। এদিকে দুর্গাপূজার কারণে বন্দর দিয়ে ৬ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকলেও সরকারি ছুটি ছাড়া কাস্টমস ও বন্দরের ভেতরের কার্যক্রম চালুসহ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিল বলে জানিয়েছে কর্র্তৃপক্ষ।
হিলি স্থলবন্দর আমদানি রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে গত ২৮শে সেপ্টেম্বর রবিবার থেকে শুরু করে ৩ অক্টোবর শুক্রবার পর্যন্ত টানা ৬ দিন হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দুদেশের মধ্যে আমদানি রপ্তানি বন্ধ রাখেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। দুর্গাপূজা শেষে গতকাল শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা পুনরায় বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি শুরু করলে বন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে বন্দরে কর্মরত শ্রমিকরা কাজে যোগ দেওয়ায় বন্দরের ভেতরে পণ্য লোড আনলোডসহ সব কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে পণ্য ডেলিভারি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে যেহেতু ৬ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ ছিল সেই ছুটির আমেজ কাটিয়ে পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
