আসন্ন নভেম্বর মাসের বিহার বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করেছে ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ)। রবিবার বিহারে ভোট পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন, ২৪৩ সদস্যবিশিষ্ট বিধানসভায় বিজেপি ও নীতীশ কুমারের জনতা দল (ইউনাইটেড) বা জেডিইউ— দুই দলই ১০১টি করে আসনে লড়বে। একই সঙ্গে বিহারে ফের এনডিএ সরকার ক্ষমতায় আসছে বলে দাবি করেন তিনি।
এর মধ্যে ২৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে অধুনাপ্রয়াত রামবিলাস পাসোয়ানের পুত্র চিরাগ পাসওয়ানের দল এলজেপি (আর)। জিতনরাম মাঁঝীর হিন্দুস্থানি আওয়াম মোর্চা (হাম) এবং উপেন্দ্র কুশওয়াহার রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা (আরএলএম) লড়াই করবে ছয়টি করে আসনে।
আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়ার পরেই সমাজমাধ্যমে এক্স-এ করা একটি পোস্টে জেডিইউ-র কার্যকরী সভাপতি সঞ্জয়কুমার ঝা লেখেন, ‘এনডিএ শিবিরভুক্ত সব দলের কর্মী এবং সমর্থকেরা আনন্দের সঙ্গে এই সমঝোতাকে স্বাগত জানাচ্ছে এবং নীতীশ কুমারকে আরও এক বার মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য জোট বাঁধছে।’
যদিও বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র আসন সমঝোতা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এই জোটে রয়েছে লালুপ্রসাদ যাদবের আরজেডি, কংগ্রেস ও বাম দলগুলো। বিহারে এই জোট ‘মহাগঠবন্ধন’ বলেও পরিচিত।
এই প্রথমবারের মতো কোনো বিধানসভা নির্বাচনে জেডিইউ বিজেপির চেয়ে বেশি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে না। এটি শাসকজোটের ভেতর ক্ষমতার ভারসাম্যে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ১১৫টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল নীতীশের দল। বিজেপি লড়াই করেছিল ১১০টি আসনে। জিতনরামের হাম লড়াই করেছিল সাতটি আসনে। আর চিরাগের দল (সাবেক অবিভক্ত এলজেপি) একক ভাবে লড়াই করেছিল ১৩৫টি আসনে। সেই সময় বিজেপির প্রতি আনুগত্য দেখালেও জেডিইউর বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছিল এলজেপি। ২০২০ সালে এনডিএ শিবিরে ছিল বিকাশশীল ইনসান পার্টিও (ভিআইপি)। তারা লড়াই করেছিল ১১টি আসনে।
