ফুটবলের নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে আগামী বছর। আন্তর্জাতিক ফুটবল আইন পরিষদ (আইএফএবি) প্রস্তাব দিয়েছে— এখন থেকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের সিদ্ধান্তেও ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) হস্তক্ষেপ করতে পারবে। প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপেই দেখা যেতে পারে এই নতুন নিয়ম।
বর্তমানে ভিএআরের ক্ষমতা সীমিত— শুধুমাত্র সরাসরি লাল কার্ড, অফসাইড, গোল, বা পেনাল্টি পরিস্থিতিতেই রেফারিকে সহায়তা করতে পারে প্রযুক্তিটি। ফলে ভুল দ্বিতীয় হলুদ কার্ডে কোনো খেলোয়াড় মাঠ ছাড়লে সেই সিদ্ধান্ত বদলানো সম্ভব হয় না। এই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য হলো ভুল রেফারিংয়ের কারণে অন্যায্যভাবে কোনো খেলোয়াড়কে যাতে মাঠ থেকে বহিস্কৃত না হয়। কারণ, একজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখা মানে তার দলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়া।
প্রস্তাবটি ডিসেম্বর মাসে লন্ডনে আইএফএবির বার্ষিক সভায় আলোচনা করা হবে। সব পক্ষের সম্মতি পেলে আগামী মার্চে তা অনুমোদন পাবে এবং জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা বিশ্বকাপে এটি কার্যকর হতে পারে। আইএফএবি বলেছে, ‘দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের ভুল সিদ্ধান্ত একটি দলের ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে, তাই ন্যায্যতা রক্ষায় ভিএআরকে সীমিতভাবে এই ক্ষেত্রে যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।’
এই পরিবর্তনের প্রস্তাবের পেছনে অন্যতম অনুপ্রেরণা সাম্প্রতিক কোপা লিবার্তাদোরেসের একটি ম্যাচ। এস্তুদিয়ান্তেস ও ফ্লামেঙ্গোর মধ্যকার সেই ম্যাচটিতে ইকুয়েডরিয়ান ফরোয়ার্ড গঞ্জালো প্লাতা দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন— অথচ রিপ্লেতে দেখা যায়, প্রকৃতপক্ষে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ই দেরি করে ট্যাকল করেছিলেন। তবে সেটা সরাসরি লাল কার্ড না হওয়ায় গঞ্জালো প্লাতা ভিএআরের সাহায্য নিতে পারেননি।
পরবর্তীতে অভিযোগের পর কনমেবল প্লাতার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আইএফএবি এবার আরও কিছু পরিবর্তন নিয়েও আলোচনা করছে। যেমন- থ্রো-ইন ও গোলকিকের সময় নষ্ট কমাতে ‘কাউন্টডাউন সিস্টেম’ চালু, থ্রো-ইন নেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা, সময়ক্ষেপণ বা বিলম্ব হলে প্রতিপক্ষ দলকে কর্নার কিক এবং ‘গ্রীন কার্ড’ ধারণাটিও পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছিল।
রোনালদোর বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দিলেন বেনজেমা
‘নাইটহুড’ পেয়ে জিমি এখন স্যার জেমস অ্যান্ডারসন
কেন্দ্রীয় চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে বাদ পড়ার ব্যখ্যা চাইলেন রিজওয়ান
হালান্ডের ওপর অতি নির্ভরশীলতায় বিপদ ডেকে আনছে সিটি