গুটি গুটি পায়ে শীত আসতে শুরু করছে। আর শীতের সময়টাতে অনেকেই ঠা-ার কারণে পানি পান করা কমিয়ে দেন। অথচ শীতের শুষ্কতায় শরীরের জন্য একটু বেশিই পানির দরকার। অনেকেই আছেন পানি পান করতে চান না। অথচ দৈহিক পরিশ্রম অনুযায়ী একজন সুস্থ মানুষকে দৈনিক আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে। আবার যারা অ্যাথলেট আছেন তাদের দেহের চাহিদা অনুযায়ী পানির তারতম্য কম-বেশি হতে পারে। অনেকের ভাবনায় থাকে শীতের মধ্যে আসলেই শুধু শুধু এত পানি পান করা যায়? এক্ষেত্রে কী করবেন পানি পান করার সঙ্গে সঙ্গে পানীয় জাতীয় খাবার ও অন্যান্য পানি পান করতে পারেন। যেসব পানীয় শীতের সময় খেতে পারেন তার মধ্যে রয়েছে
আদা চা
শীতের সকালে বা বিকেলে আদা দেওয়া চা পান করতে পারেন। আদা যেমন ঠা-া কমায় তেমনি সর্দি-কাশি কমাতেও সাহায্য করে। এ ছাড়া গ্যাসের সমস্যা কমাতেও উপকার হয়।
দারুচিনি চা
শীতের সময় এমনিতেই আমরা কমবেশি চা পান করি। দারুচিনিও ঠা-া কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। তাই দারুচিনি দেওয়া চা পান করতে পারেন।
দুধ
প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ খেলে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। শীতে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তাই চেষ্টা করুন প্রতিদিন এক গ্লাস হালকা গরম দুধ খেতে।
গ্রিন টি
গ্রিন টি অ্যান্টি অক্সিজেন সমৃদ্ধ পানীয়। শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। ওজন কমানো ছাড়াও দুই খাবারের মধ্যবর্তী সময়ে এক কাপ গ্রিন টি পান করতে পারেন। এ ছাড়া শরীরের সতেজতা বজায় রাখতে শীতের সকালে বা সন্ধ্যায় এক কাপ চা দারুণ কার্যকর।
কফি
শীতে চায়ের পরই জনপ্রিয় পানীয় কফি। তাই শীতের বিকেলে এক কাপ কফি পান করতে পারেন। তবে চিনি কম দিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন। কফি মূলত টাইপ-২ ডায়াবেটিস, যকৃতের ক্যানসার, পারকিনসন্স প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
মধু পানি
শীতে ঠান্ডা কমাতে প্রতিদিন সকালে হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খান।
স্যুপ
শীতে শরীর সুস্থ রাখতে স্যুপ বা ঝোল দারুণ উপকারী। শীতেই মেলে স্যুপের আসল মজা। ঠা-া ঠা-া আবহাওয়ায় গরম গরম চুমুক। শীতের বিকেলে বা রাতের খাবারে ধোঁয়া ওঠা এক বাটি স্যুপ হলে কিন্তু মন্দ হয় না। এতে শরীর থেকে একটু হলেও কাটবে ঠা-ার রেশ। শরীর সুস্থ রাখতে শীতের সময় নানা সবজি আর মুরগির মাংস বা ডিম দিয়ে বানিয়ে খেতে পারেন স্যুপ।
