সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ অবিলম্বে প্রত্যাহার ও তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট (সিপিজে)। গতকাল বুধবার সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়। সিপিজের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন প্রয়োগ করে মামলা ও গ্রেপ্তার উদ্বেগজনক। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে এ ধরনের পদক্ষেপ গণতন্ত্রের একটি মৌলিক স্তম্ভ সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বরাতে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ১৫ ডিসেম্বর আনিস আলমগীরসহ আরও তিনজনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টকশো ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালানো এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
সিপিজের এশিয়া-প্যাসিফিক প্রোগ্রাম সমন্বয়ক কুনাল মজুমদার বলেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের কয়েক মাস আগে একজন সাংবাদিককে আটক রাখতে, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ব্যবহার করে অন্তর্বর্তী সরকার সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি অঙ্গীকার নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কর্র্তৃপক্ষকে অবিলম্বে সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে মুক্তি দিতে হবে এবং সরকারের সমালোচনামূলক মতপ্রকাশের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের লক্ষ্য করা বন্ধ করতে হবে।
