অর্থ-অস্ত্রে কড়াকড়ি চান ডিসি-এসপিরা

আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:২২ এএম

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে দেশের প্রশাসন, পুলিশ ও নির্বাচন কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। বিভাগীয় কমিশনার এবং রেঞ্জ ডিআইজিরা জানিয়েছেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনই তাদের মূল লক্ষ্য। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার স্বার্থে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, আইনশৃঙ্খলা সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধের দাবি জানিয়েছেন তার। একই সঙ্গে চিহ্নিত অপরাধীদের জামিন রোধ, নির্বাচনের সময় অবাধ অর্থ লেনদেন বন্ধ এবং ভোটের আগে মোবাইল ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রণের পরামর্শও দিয়েছেন তারা। প্রশাসন আশা করছে, একটি ‘মডেল নির্বাচন আয়োজন করে দেশের ইতিহাসে দৃষ্টান্ত স্থাপন সম্ভব হবে।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে ডিসি-এসপি, সব রেঞ্জের ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব বিষয় উঠে আসে। এ সময় সিইসি, চার নির্বাচন কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় দেশের বিভিন্ন স্তরের ২২৬ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে জেলা প্রশাসক ৬৪, পুলিশ সুপার (এসপি) ৬৪, বিভাগীয় কমিশনার ৮, ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) ৮, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ৬৪, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ১০ জন।

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সহযোগিতা চেয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেন, জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে বাস্তবতার কারণে আমরা আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ সময় নানা অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছি। আমাদের এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, সামনে নির্বাচনে আমরা আমাদের সক্ষমতা যথেষ্ট অর্জন করতে পেরেছি। কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে নির্বাচন কমিশনের অব্যাহত সহযোগিতা চাই। সমাজের বিভিন্ন দাবিদাওয়া, রাস্তা অবরোধ, মহাসড়ক অবরোধ, সমাজের অস্থিরতা সৃষ্টির যে প্রচেষ্টা দেখতে পাই, এসব বন্ধ করার সময় এসেছে। আমরা যদি অর্ডার প্রতিষ্ঠা করতে না পারি, নির্বাচনে কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া সম্ভব নয়।

নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটিকে বিচারিক ক্ষমতা দেওয়ার প্রশংসা করে বাহারুল আলম বলেন, তারা শুধু পুলিশ নয়, যেকোনো বাহিনীর কাছে সহায়তা চাইতে পারবেন। এ প্রতিশ্রুতি সব নির্বাচন কমিশনার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দিতে চাই। আমরা আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে এবং সর্বাত্মক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এবারে নির্বাচন সফল ও সুন্দর করতে পারব। সম্পূর্ণ সক্ষমতা আমাদের আছে। এ ব্যাপারে আমাদের ওপর আস্থা রাখতে পারেন।

ঢাকা অঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা বলেন, আচরণবিধি প্রতিপালনের ক্ষেত্রে শুরু থেকেই কঠোর অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন। অতীতে দেখা গেছে, শুরুতে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়। কিন্তু এবার সে সুযোগ নেই। ভালো ফল পেতে হলে শুরু থেকেই কঠোর থাকতে হবে। ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে যতদূর জেনেছি, তাদের এখনো ব্রিফিং বা প্রশিক্ষণ হয়নি এবং মাঠপর্যায়ে তাদের কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়। এ কমিটিকে দ্রুত মাঠে নামানো জরুরি বলে আমি মনে করি।

তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় অবাধ অর্থ লেনদেন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এটি শনাক্ত করা কঠিন হলেও আমাদের নজরদারি বাড়াতে হবে। বিশেষ করে ব্যাংকিং চ্যানেল, মোবাইল অ্যাপস ও ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে প্রার্থী বা সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর অর্থ ব্যয়ের দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

ভোট গ্রহণের দিন ভোটের গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতেও ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নেওয়া নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, কেউ কেউ মোবাইলে ছবি তুলে বাইরে এনে ভোট প্রদর্শন করছে, যা গোপনীয়তা নষ্ট করে। তাই ভোটকেন্দ্রে শুধু ইনচার্জ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং প্রিসাইডিং অফিসার ছাড়া কারও মোবাইল ফোন ব্যবহার করা উচিত নয়। বিষয়টি যদি আগেভাগে ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে জানানো যায়, তাহলে ভোটাররা মোবাইল ফোন না নিয়েই কেন্দ্রে আসবেন।

খুলনা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়সাল কাদের বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন অন্য যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় ভিন্ন এবং ঐতিহাসিক। কারণ, এবার একই সঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হচ্ছে। গণভোট যেহেতু নতুন একটি বিষয়, তাই জাতীয় ও স্থানীয় উভয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রচারণা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, এবার প্রথমবারের মতো ভোটগ্রহণ বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে। ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রেই সন্ধ্যা বা সন্ধ্যার পর সময় হবে। সেজন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করার অনুরোধ জানাচ্ছি। মহিলা ও তরুণ ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রিটার্নিং অফিসার বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তাদের কেন্দ্রমুখী করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া যায় কি না এ বিষয়ে বিবেচনার অনুরোধ রইল। অতীতে যাদের ভোটের ওপর আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে, সেই আস্থার জায়গাটি পুনরুদ্ধার করা প্রয়োজন।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার ড. এসএম ফরহাদ হোসেন বলেন, নিরাপত্তার জন্য রাতদিন কাজ করে যাচ্ছি। অভিযানে গ্রেপ্তার হচ্ছে। ফ্যাস্টিটের আগের অপরাধীরা বিভিন্ন দলে চলে যাচ্ছে। এটা একটা সমস্যা তাদের চাপাচাপিতে আমরা একটু সমস্যায় থাকি। আশা করছি এ বিষয়টি ইসি দেখবে।

তিনি বলেন, আমাদের পর্যাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার ঘাটতি রয়েছে। অস্ত্র উদ্ধারে চেকপোস্ট হচ্ছে কিন্তু ট্রান্সপোর্ট সুবিধা কম পাচ্ছি। এ ক্ষেত্রে বরাদ্দ বৃদ্ধি করলে ভালো হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন দলের আন্তঃকোন্দল সমস্যা তৈরি করছে। আরও সমস্যা করছে সোশ্যাল মিডিয়ার উসকানিমূলক পোস্ট দিয়ে পরিবেশকে সমস্যা করছে। বিটিসিএলকে নির্দেশনা দিলে আরও দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ভালো হয়। তবে আমরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে কাজ করছি, বিচার বিভাগের সঙ্গেও সমন্বয় করছি।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম একটি বহুমাত্রিক ও বৈচিত্র্যময় জেলা। এখানে পাহাড় রয়েছে, ভারতের সঙ্গে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে, রয়েছে দ্বীপ এলাকা এবং সমুদ্র উপকূলসহ বিভিন্ন ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য। এ বাস্তবতায় নির্বাচন পরিচালনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে দুর্গমতা একটি বড় সমস্যা। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অবৈধ অস্ত্র। মাঠপর্যায়ে যেসব অস্ত্র এখনো রয়েছে, সেগুলো দ্রুত উদ্ধার করা প্রয়োজন। বিষয়টি আমরা কোর কমিটিতে আলোচনা করেছি এবং ব্যবস্থা নিচ্ছি, তবে এ ক্ষেত্রে আরও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। আপনাদের সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আক্তার বলেন, এবার একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো এআই প্রযুক্তি ও অপতথ্য প্রচার। পূর্ববর্তী বক্তারাও বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। এ ক্ষেত্রে আমরা একটি স্পষ্ট ও সমন্বিত সিদ্ধান্ত চাই, যাতে আমরা দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারি। তিনি বলেন, আমাদের নিয়ে নানা কথা, সমালোচনা হতে পারে আমরা তা শুনতে প্রস্তুত। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই আইনের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করতে আমরা রাজি নই। কোনো পক্ষের চাপ বা প্রভাব আমাদের ওপর কাজ করবে না, ইনশাআল্লাহ।

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে এই নির্বাচনের সাক্ষী হিসেবে আমরা সবাই গর্বের সঙ্গে নিজেদের নাম যুক্ত করতে চাই। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আমরা যেন সবাই গর্বিত অংশীদার হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিতে পারি সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।

তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘোষিত ‘ডেভিল হান্ট টু ফেজ’ কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে নিয়মিত গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেন, সংবাদমাধ্যমের ভাষা ও উপস্থাপনা দেখে মনে হয় যেন বাংলাদেশ সিরিয়া বা লিবিয়ার মতো কোনো অস্থির রাষ্ট্র। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নানা চাপের মধ্যে কাজ করছে। অনেক ক্ষেত্রে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ছাড়াতে দিনে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়া রাজনৈতিক নেতারাই রাতে তদবির করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের দেশের মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে দায়িত্বশীল প্রতিবেদন করার আহ্বান জানান।

খুলনা বিভাগীয় কমিশনার বলেন, কুষ্টিয়া দৌলতপুরে কালু এবং কাঁকন এ দুটি গ্রুপের সঙ্গে কেউ পারছে না। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ড্রোন প্রয়োজন হতে পারে। উপজেলা বা জেলা পর্যায়ে আমরা যদি যৌথভাবে মহড়া দিই, তাহলে আশা করি কেউ অন্যায় কিছু করতে পারবে না।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মিজ ফারাহ শাম্মী বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সব কাজ তাৎক্ষণিকভাবে করা হবে। অপরাধীদের ঢালাও জামিন বন্ধের বিষয়ে বিচার বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশনা ইতিমধ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং স্থানীয়ভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা চলছে।

সিলেট জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, নির্বাচনের সময় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হলে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও সহজ হবে। বিশেষ করে বড় যানবাহনের অভাব এবং স্থানীয় তথ্যের সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা দ্রুত সমাধানের প্রয়োজন। তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ভোট কেন্দ্রগুলোর মেরামতের জন্য বরাদ্দ যথাযথভাবে দেওয়া হয়নি। প্রয়োজন অনুযায়ী বরাদ্দ বাড়ানো হোক।

সিলেট বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বিজিবি ডেপ্লয়মেন্ট খুব জরুরি। বর্ডার দিয়ে অস্ত্র আসে, অপরাধী আসা-যাওয়া করে, তাই বর্ডারসংলগ্ন কেন্দ্রগুলোকে বিবেচনা করে কেন্দ্রের নিরাপত্তা বাড়ানো প্রয়োজন। ক্রিমিনালদের মুভমেন্ট ট্র্যাক করা প্রয়োজন। জেলখানার ভেতর থেকে অনেকে ক্রাইম করে ফেলছে, এটা দেখা উচিত। যারা চিহ্নিত অপরাধী তারা যেন কোনোভাবেই জামিন না পায়। যারা ষড়যন্ত্রকারী তারা সবসময়ই একটি অস্থিরতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে। আমরা ইতিহাসের সাক্ষী হতে চাই। ২০২৬-এর নির্বাচন ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে এ প্রত্যাশা করেন তিনি।

কুমিল্লা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বলেন, সীমান্তবর্তী ও দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে বিজেপি মোতায়ন এবং বিজিবিসহ পুলিশ মোতায়েন করলে ভোট কর্মকর্তারা সাহসীভাবে কাজ করতে পারবেন। বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় জেনারেটর ব্যবস্থাসহ সিসিটিভি ক্যামেরার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্র ও আসনভিত্তিক আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটি গঠন করা উচিত। নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী, র‌্যাব, নৌবাহিনী এবং পুলিশ যাতে কার্যক্রমের ফাঁকা জায়গা না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের মতো ষড়যন্ত্রমূলক পরিকল্পনা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত