জ্বালানি তেলের দাম কমল লিটারে ২ টাকা

আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৭ এএম

বছরের শুরুতেই দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২ টাকা কমানো হয়েছে। এই দর গতকাল বৃহস্পতিবার থেকেই কার্যকর করার কথা জানিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১০২ টাকা, কেরোসিনের দাম ১১৬ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৪ টাকা, পেট্রোলের দাম ১২০ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৮ টাকা এবং অকটেনের দাম ১২৪ টাকা থেকে কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১২২ টাকা।

২০২৪ সালের মার্চ থেকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ শুরু করে সরকার। সে হিসাবে প্রতি মাসে নতুন দাম সমন্বয় করা হয়। গত মাসে দাম প্রতি লিটারে ২ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জ্বালানি তেলের দাম কমানোর পাশাপাশি কোনো কোনো মাসে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আবার কোনো কোনো মাসে বেড়েছে।

জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণের সূত্র নির্ধারণ করে নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি। নির্দেশিকায় বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত অকটেন ও পেট্রোল ব্যক্তিগত যানবাহনে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই বাস্তবতার নিরিখে বিলাসদ্রব্য (লাক্সারি আইটেম) হিসেবে সবসময় ডিজেলের চেয়ে অকটেন ও পেট্রোলের দাম বেশি রাখা হয়।

জ্বালানি তেলের মধ্যে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণে শুনানি করেছে বিইআরসি। শিগগির নতুন দাম ঘোষণা করা হবে। আর ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভর্তুকির চাপ এড়াতে ২০২২ সালের আগস্টে গড়ে ৪২ শতাংশ বাড়ানো হয় জ্বালানি তেলের দাম। এরপর ব্যাপক সমালোচনার মুখে ২৩ দিনের মাথায় সব জ্বালানি তেলের লিটারে ৫ টাকা করে কমানো হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত