মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার বিপিএল আবার শুরু হলে দুর্দান্ত বোলিংয়ে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে মাত্র ১২৬ রানে অলআউট করে দিয়েছেন শরিফুল ইনলাস। এই ম্যাচে হারলে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায় পড়বে বিপিএলে প্রথমবার অংশ নেওয়া নোয়াখালী।
বাঁহাতি পেসার শরিফুল ৩.৫ ওভার বোলিং করে মাত্র ৯ রান খরচায় তুলে নেন ৫টি উইকেট। একটি মেডেন ওভারও ছিল তাঁর বোলিংয়ে। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ১৫২ ম্যাচে এটিই শরিফুলের প্রথম পাঁচ উইকেট শিকার। এর আগে গত বিপিএলে ৫ রানে ৪ উইকেট নেওয়াই ছিল তাঁর সেরা।
চলতি আসরে শরিফুলের ফর্মও চোখে পড়ার মতো। এই ম্যাচ শেষে তাঁর উইকেট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮টিতে, যা এবারের বিপিএলের সর্বোচ্চ। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটি তার প্রথম ৫ উইকেট।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল নোয়াখালী। প্রথম ওভারেই শরিফুলের বলে বাউন্ডারি হাঁকান হাসান ইসাখিল। তিন ওভার শেষে বিনা উইকেটে দলীয় স্কোর দাঁড়ায় ৩৪। তবে চতুর্থ ওভারে শেখ মেহেদি হাসান সৌম্য সরকারকে বোল্ড করলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি।
পাওয়ার প্লের শেষ দিকে ইসাখিলকে ফিরিয়ে দেন শরিফুল। আফগান ওপেনার ২০ বলে ২৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর একে একে ব্যাটাররা উইকেটে এলেও কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। জাকের আলি অনিক ২২ বলে ২৩ রান করলেও গতি বাড়াতে ব্যর্থ হন।
মধ্য ওভারে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চট্টগ্রামের হাতে নিয়ে নেন শরিফুল। ১৬তম ওভারে এসে টানা দুই বলে হাসান মাহমুদ ও মেহেদী হাসান রানাকে ফেরান তিনি। হ্যাটট্রিকের সুযোগ তৈরি হলেও তা পূরণ হয়নি। পরে ১৯তম ওভারে আবার আক্রমণে এসে সাব্বির হোসেনকে ক্যাচ করান এবং পরের বলে ইহসানউল্লাহকে বোল্ড করে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন ২৪ বছর বয়সী এই পেসার।
শরিফুলের সঙ্গে সমানতালে দারুণ বোলিং করেন স্পিনার শেখ মেহেদি হাসান। তিনি ৩ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে নেন ৩টি উইকেট। ফলে নোয়াখালীর ইনিংস থামে ১৮.৫ ওভারে ১২৬ রানে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নোয়াখালী এক্সপ্রেস: ১৮.৫ ওভারে ১২৬
(ইসাখিল ২৫, জাকের ২৩; শরিফুল ৫/৯, মেহেদি ৩/১২)
গ্রেপ্তার ও বিতর্কের পর মাঠে ফিরছেন ব্রাজিলের ডগলাস কস্তা