কানাডা থেকে কেনা হবে ২ কোটি ৭১ লাখ লিটার তেল

আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:০১ এএম

আসন্ন রমজান মাসে ভোজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে কানাডা থেকে ২ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল কেনাসহ ১২টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এর মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের তিনটি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুটি, সড়ক ও পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সাতটি ক্রয় প্রস্তাব রয়েছে।

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় এসব খাতে অর্থ ব্যয় অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

বৈঠক শেষে জানানো হয়, ২ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল ৩৫৭ কোটি ৬২ হাজার ১০০ টাকায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দুই লিটার পেট বোতলে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের মূল্য ধরা হয়েছে ১৩১ টাকা ৪৯ পয়সা। টিসিবির গুদাম পর্যন্ত অন্যান্য খরচসহ এ মূল্য হবে ১৬৩ টাকা ৬ পয়সা। এ তেল খোলাবাজারে বর্তমানে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কমমূল্যে এবং কেনা দামের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করা হবে।

এদিকে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো), বাংলাদেশের কাছ থেকে ১৪৯ কোটি ১৭ লাখ ২৫ হাজার ২৫০ টাকায় ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে সার সংরক্ষণ ও বিতরণের সুবিধার্থে দেশের দুটি স্থানে বাফার গুদাম নির্মাণে ৯৫ কোটি ৮০ লাখ ৮৩ হাজার ২৮০ টাকা ব্যয় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে জানানো হয়, কাফকোর কাছ থেকে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার প্রস্তাব নিয়ে আসা হয়। উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি পর্যালোচনা করে প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১১তম লটে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার জন্য প্রাইস অফার পাঠানোর অনুরোধ করা হলে কাফকো প্রাইস অফার পাঠায়। কাফকোর সঙ্গে চুক্তি মোতাবেক সারের মূল্য নির্ধারণ করে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার প্রতি টন ৪০৫.২৫ ডলার হিসেবে মোট ১ কোটি ২১ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ ডলারে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় খরচ হবে ১৪৯ কোটি ১৭ লাখ ২৫ হাজার ২৫০ টাকা।

বৈঠকে ‘সার সংরক্ষণ ও বিতরণের সুবিধার্থে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় ফরিদপুর জেলায় ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার একটি বাফার গুদাম নির্মাণের প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়। এ ছাড়া গাইবান্ধা জেলায় ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার একটি বাফার গুদাম নির্মাণের পূর্ত কাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত