নির্বাচনে যে জয়ী হবে, তার সঙ্গেই কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩৬ এএম

নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেয় না। বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে যে সরকার গঠন করবে, তার সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে।

গতকাল বুধবার রাজধানীর ইএমকে সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নতুন সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে মতপ্রকাশ বাংলাদেশের জনগণের সার্বভৌম অধিকার। এখানে কে নির্বাচিত হবে, পরবর্তী নির্বাচিত সরকার হিসেবে কে দায়িত্ব নেবে এটি বাংলাদেশের জনগণের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত। এ বিষয়ে অন্য কোনো দেশের বলার কোনো অধিকার নেই।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন গত ১৫ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক বিভাগে কাজ করে যাওয়ার পর এবার তাকে রাষ্ট্রদূত করে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশে রাজনৈতিকসহ সব মহলে ২০ বছর ধরে নিজের ‘বন্ধু’ থাকার ও বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে  যোগাযোগ থাকার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক, দূতাবাস থেকে দীর্ঘদিন ধরে সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক ইতিবাচক সম্ভাবনা রয়েছে, এমনটি উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, অর্থনীতি, বাণিজ্য ও নিরাপত্তাসহ অনেক ক্ষেত্র আছে যেখানে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

বাংলাদেশের ভবিষ্যতের বিষয়ে নিজের আশাবাদ ব্যক্ত করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এখানে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে। এখানে সামনে আরও পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে তার নিজের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো আমেরিকান জনগণের স্বার্থ ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়া; আমেরিকানদের নিরাপদ, শক্তিশালী এবং আরও সমৃদ্ধ করা। এটাকে হয়তো ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি বলে সম্বোধন করা হয়। তবে রাষ্ট্রদূত হিসেবে তিনি বিশ^াস করেন, নির্বাচিত সরকারগুলোর উচিত সর্বদা তাদের জনগণের স্বার্থকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেওয়া। এই দৃষ্টিকোণ থেকে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ বলতে কেবল আমেরিকাকেই  বোঝানো হয় না।

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন গতকাল প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। এ বিষয়ে মার্কিন দূতাবাস ফেসবুকে ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে বলেছে, সাক্ষাতে তারা বিচার বিভাগের জন্য পরিকল্পনা এবং দুই দেশের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত