আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে যখন ক্রিকেট দুনিয়ায় তোলপাড় চলছে, তখন ছোটদের বিশ্বকাপের একটি ঘটনা এসেছে আলোচনায়। হারারেতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে গতকাল জিম্বাবুয়েকে হারিয়েছে পাকিস্তান। তবে তারা এমন কৌশলে ম্যাচটা জিতেছে, যাতে হেরে গিয়েও জিম্বাবুয়ে উঠেছে সুপার সিক্সে। আর বাদ পড়ে গেছে স্কটল্যান্ড!
নিয়মের ফাঁক গলে এমন অবিশ্বাস্য কাণ্ডই ঘটেছে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে। এবার ঘটনার গভীরে যাওয়া যাক। আগেই সুপার সিক্স নিশ্চিত করে ফেলেছিল পাকিস্তান। গতকালের ম্যাচের হিসাবটা ছিল এরকম- জিম্বাবুয়ের দেওয়া ১২৯ রানের লক্ষ্য যদি পাকিস্তান ২৫.২ ওভারের মধ্যে তাড়া করত, তাহলে নেট রানরেটে এগিয়ে থেকে সুপার সিক্সে চলে যেত স্কটল্যান্ড। বাদ পড়ত জিম্বাবুয়ে। কিন্তু পাকিস্তান এই রান তাড়া করেছে ২৬.২ ওভারে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৪ ওভার শেষে পাকিস্তান ৮৪ রান করে ফেলেছিল। তখন তারা যদি ১১.২ ওভারে মাত্র ৪৫ রান তুলে ফেলত, তাহলেই স্কটল্যান্ড সুপার সিক্সে চলে যায়। কিন্তু এর পর থেকেই টেস্ট মেজাজের ব্যাটিং শুরু করেন দুই ব্যাটার সামির মিনহাস ও আহমেদ হুসেন। তাদের ব্যাটিং দেখে পরিস্কার বোঝা যাচ্ছিল যে, ইচ্ছে করেই তারা এই কাণ্ড করছেন! টানা ৮৯ বলে কোনো বাউন্ডারি নেই, পরবর্তী ১২ ওভারে তারা তোলে মাত্র ৩৬ রান!
পাকিস্তান যে ইচ্ছে করে এই কাণ্ড করেছে, তার আরেকটি প্রমাণ হলো ২৭তম ওভারের প্রথম দুই বল। সেই দুই বলে দুই ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করে দেন সামির মিনহাস। এখানে প্রশ্ন হলো, স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানের লাভটা কী? আসলে জিম্বাবুয়েকে সুপার সিক্সে তুলে পাকিস্তান পরের পর্বের জন্য নিজেদের নেট রানরেট সর্বোচ্চ রাখার সুযোগ পেয়েছে, স্কটল্যান্ড সুপার সিক্সে উঠলে যা সম্ভব হতো না।
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের নিয়মানুযায়ী, গ্রুপ পর্বের পয়েন্ট ও নেট রানরেট সুপার সিক্সেও যোগ হয়। তবে হিসাব করা হয় শুধু সেই দলগুলোর বিপক্ষে খেলা ম্যাচ, যারা গ্রুপ থেকে পরের পর্বে ওঠে। ম্যাচে ধারাভাষ্য দেওয়া জিম্বাবুয়ের সাবেক ক্রিকেটার অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার ইএসপিএনক্রিকইনফোকে বলেছেন, ‘আমার মনে হয়েছে, এটা তাদের জন্য যৌক্তিক কৌশল ছিল। কেউ কেউ এর নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে, কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি তা করি না।’
মেসিকে কাঁদিয়ে আর্জেন্টিনার চক্ষুঃশূল হয়েছিলেন যে রেফারি
আবারও চিঠি! ভেন্যু বদলের জন্য আইসিসিকে অনুরোধ করেই যাচ্ছে বিসিবি
৫৫ সেকেন্ডের ভুলে নটিংহ্যামের ইউরোপা লিগ স্বপ্নে বড় ধাক্কা
আবেগ সামলে কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শেষ ষোলোয় সাবালেঙ্কা