জামায়াত কর্মীকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় শামসুল আরেফিন নামের এক জামায়াত কর্মীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে মারধর করে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানো চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। উপজেলার গোপাল ইউনিয়নে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ ঘটনা ঘটে।

পরবর্তীতে ৪ ঘণ্টা পর ভুক্তভোগী উদ্ধার করে অভিভাবকদের হাতে হস্তান্তর করে পুলিশ।

ভুক্তভোগী শামছুল আরেফিন জানান, তিনি চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের বারইয়ার হাট এলাকায় একটি কোম্পানির মার্কেটিংয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে এক বন্ধুর সঙ্গে কথা বলছিলেন। হঠাৎ ১২ জন যুবক ধরধর বলে তাদের দিকে তেড়ে আসলে ভয়ে তার বন্ধু পালিযে যায়। এসময় তেড়ে আসা যুবকরা তাকে মারধর করে জোরপূর্বক সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেয়। একপর্যায়ে হাতে একটি অস্ত্র ধরিয়ে দিয়ে গুলির ভয় দেখিয়ে বিভিন্নভাবে মিথ্যা স্বীকারোক্তি নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যায় তারা। প্রায় ৩ ঘণ্টা চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তাকে উপজেলার মুহুরীগঞ্জ বাজারে নিয়ে আটকে রাখে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধার করে অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করেন।

স্থানীয়রা জানান, ঘোপাল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসেন রাব্বি, ইউনিয়ন ছাত্রদল সেক্রেটারি মো. রাকিব, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহকারী সেক্রেটারি মো.মনসুরের নেতৃত্বে এ ঘটনায় সম্পৃক্তরা হলেন- মো. হোসেন চৌধুরী রাকিব, নুর নবী চৌধুরী, শাহাদাত হোসেন পাটোয়ারী, মেজবাহ উদ্দিন রুবেল, আইয়ুব নবী, জাহাঙ্গীর আলম, একরামুল হক তৌহিদ। এরা সবাই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।

এবিষয়ে ফেনী-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এসএম কামাল উদ্দিনের ভাষ্য, ভোটারদের মাঝে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করতে বিএনপি কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে এই সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়েছে।

ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিন মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মুহুরিগঞ্জ বাজার থেকে শামসুল আরেফিনকে উদ্ধার করে অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর করেন। ঘটনাটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত